লোকসভায় বিপুল ভোটে পাস হল নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিল, ২০১৯। বিলের পক্ষে ভোট পড়ল ২৯৩টি। আর বিরুদ্ধে ভোট পড়ল মাত্র ৮২টি। শুধু তাই নয়, ভোটাভুটির আগে বিন নিয়ে আলোচনা চলাকালীন অমিত শাহ গুরুতর অভিযোগ আনলেন কংগ্রেস দলের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি কংগ্রেসকে দায়ি করলেন দেশভাগের জন্য তাঁর মতে এই নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিল আনা হল কংগ্রেসের সেই ভুল সংশোধনের জন্য।

এদিন এই বিলের বিরোধিতা করে কংগ্রেস দলের পরিষদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরি বিলের বিরোধিতা করে বলেন এই বিল সম্পূর্ণরূপে ভারতের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ করার ষড়যন্ত্র। কংগ্রেস সাংসদ শশি থারুর-ও বিলের বিরোধিতা করে একে সংবিধানের পরিপন্থী বলে দাবি করেন। এছাড়া এআইমিম, এআইএডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস-ও এই বিল পেশের বিরোধিতা ককরেন।

জবাব দিতে গিয়ে অবশ্য এইসব বিরোধিতাকে একেবারে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার সময় ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করেছিল কংগ্রেস দলই। তা যদি না করত তাহলে এই নাগগরিকত্ব বিল আনার প্রয়োজন পড়ত না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালে ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় বাংলাদেশ থেকে আগত সকল শরণার্থীকে ভারতে জায়গা দিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোকসভায় প্রশ্ন ছুড়ে দেন, বাংলাদেশ থেকে শরণার্থীদের জায়গা দেওয়া হলে পাকিস্তানি শরণার্থীরা কি দোষ করল? কংগ্রেস বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি শরণার্থীদের মধ্যে ভেদাভেদ করেছিল। ইন্দিরা গান্ধীর সেই সিদ্ধান্তও কি অসাংবিধানিক ছিল?

একি সঙ্গে তিনি আফগানিস্তান, পাকিস্তান বা বাংলাদেশে হিন্দু, শিখ জৈন বা বৌদ্ধদের উপর যে পরিমাণ অত্যাচার করা হয়, তার ছবিও তুলে ধরেন বিল পেশের পক্ষে।