দেশ জুড়ে টিকাকরণ চলছে ১৬ জানুয়ারি থেকে। সোমবার থেকে দেশে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্বের টিকাপ্রদান কর্মসূচি। এই অবস্থায় সামনে এল ভারত বায়োটেকের তৃতীয় পর্বের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফল। ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে সমস্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে কোভ্যাক্সিন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে ৮১ শতাংশ কার্যকর। ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ারর পরে  কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ৮১ শতাংশ অন্তবর্তীকালীন কার্যকারিতা দেখিয়েছে। 

সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য এবং কোভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা মূল্যয়নের জন্য ১৩০টি নিশ্চিত মামলার চূড়ান্ত বিশ্লেষণ চালিয়ে যাওয়ার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালান হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বিশ্লেষণ থেকে বোঝা যায় ভ্যাকসিনটি ব্রিটেনের নতুন করোনার রূপ মোকাবিলায় রীতিমত কার্যকর। ভ্যাকসিনের প্রভাবে  অ্যান্টিবডিগুলি নতুন স্ট্রেইনকে নিরপেক্ষ করতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। 

ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ২৫ হাার ৮০০ জন অংশগ্রহণকারী অংশ নিয়েছিল তৃতীয় দফার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ভ্যাকসিনের কোনও বিরুপ প্রভাব পড়েনি। কোভ্যাক্সিনের সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিয়ে এখাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় দেখা গেছে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনটি সাফল্যের পরিমাণ যথেষ্ট। দ্বিতীয় ডোজের পরে দেখা গেছে কোভিশিল্ডের কার্যকারিতা ৭০ শতাংশ। 


ভারতে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এখনও পর্যন্ত ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে অ্যাস্ট্রোজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশ করা সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড ও দেশীয় প্রযুক্তিতে  ভারত  বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনকে। ছাড়পত্র দিয়েছিলে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনালের অব ইন্ডিয়া।