সোমবার কেঁপে উঠল প্রতিবেশী রাজ্য সিকিম। যার প্রভাব পড়েছিল পশ্চিমবঙ্গেও। সিকিমে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল পাঁচ দশমিক চার ম্যাগনিচিউড। কম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। সিকিমের ভূমিকম্পের প্রভাবে কেঁপেছিল রায়গঞ্জও। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন এক সেকেন্ডের কম সময় কম্পন অনুভূত হয়। কম্পনের কেন্দ্র স্থল ছিল ভারত ও নেপাল সীমান্ত। এদিন কম্পন অনুভূত হয় হিমাচল প্রদেশের লাহাল স্পিতি উপত্যকায়। দুপুরের দিকে কেঁপে ওঠে বিস্তীর্ণ এলাকায়। কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৮ ম্যাগনিউউড। ছাম্বাতেও এদিন কম্পন অনুভূত হয়। গতকাল রাতেই কেঁপে উঠেছিল অসমের বিস্তীর্ণ এলাকা। তাই সিকিমের এই কম্পন ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রের খবর ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ইতিমধ্যেই খোঁজ খবর নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত চারটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও কথা বলবেন। ইতিমধ্যেই অসম. বিহার ও সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। 

 

এদিন রাত ৮টা ৪৯ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়ে। এই কম্পনের প্রভাবে উত্তরবঙ্গ, অসম, বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল গ্যাংটক ছেকে ২৫ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ পূর্বে। 

৯টা বাজতে তখন ১০ মিনিট বাকি, আচমকাই নড়ে ওঠে চেয়ার, বিছানা, হঠাৎ কম্পন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই কম্পন থেমে যায়, কিন্কতু আতঙ্কের হিমস্রোত বয়ে যায় সকলের, ঘোর কাটতেই অনেকে চিৎকার শুরু করেন ভূমিকম্প বলে

বিস্তারিত আসছে...