চলতি অর্থবর্ষে প্রভিডেন্ট ফান্ডে (EPF)সুদের হার অপরিবর্তিত থাকছে। সুদের হার থাকছে ৮.৫ শতাংশ। তেমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও (EPFO)। ইপিএফও- র সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা প্রায় পাঁচ কোটি। পিটিআই সূত্রের খবর কর্মচারীদের প্রভিডেন্ড ফান্ড অর্গানাইজেশন এর শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবাহ শ্রীনদরে কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ডের একটি সভা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ২০২০-২০২১ এর জন্য সুদের হার থাকবে ৮.৫ শতাংশ। 

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত মহামারি, টাকা তুলে নেওয়া ও সদস্যদের কম আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে  দীর্ঘ দিন ধরেই জল্পনা চলছিল ইপিএফও সুদের হার আরও কমিয়ে নিয়ে পারে। গত বছর মার্চ মাসে এপিএফও প্রভিডেন্ড ফান্ডের আমানতের ওপর সুদের হার আগের অর্থবর্ষের তুলনায় কমিয়ে ছিল। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে প্রভিডেন্ট ফান্ডে সুদের হার ছিল ৮.৬৫। গতবছর তা কমিয়ে করা হয় ৮.৫। ২০১২০১৩ অর্থবর্ষের পর গত বছরই ইপিএফও সবথেকে কম সুদ দিয়েছিল। 

সূত্রের খবর করোনাভাইরাস পর্বে চাকরি চলে যাওয়া, বেতন কমে যাওয়ার মত একাধিক কারণে গ্রাহকদের অনেকেই জমা টাকা অগ্রিম নিচ্ছিলেন বা পুরো টাকাটাই তুলে নিচ্ছিলেন। সম্প্রতি সংসদের অধিবেশনে সেকাথা জানিয়ে শ্রমমন্ত্রী সন্তোষকুমার গাঙ্গোয়ার জানিয়েছিলেন গত ৩১ জানুয়ারি পর্ন্ত ৬০.৮৮ লক্ষ কর্মীর ইপিএফ জমা থেকে অগ্রিম নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছিল। ইতিমধ্যে ১৫,২৫৫কোটি টাকা ইপিএফ থেকে দেওয়া হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ২ কোটি কর্মী ইপিএফ থেকে ৭৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি তুলে নিয়েছে। যার মধ্যে করোনা সংক্রান্ত কারণে অগ্রিম নিয়েছেন মাত্র ৩০ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবর্ষে সংস্থাটি সুদের হার অপরিবর্তিত রাখায় কিছুটা স্বস্তি বাড়ছে গ্রাহকদের মধ্যে।