করোনাভাইরাসের তৃতীয় তরঙ্গ ভারতের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই অবস্থায় বেশ কয়েক দিন ধরেই ৬ রাজ্যে কোভিড সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। প্রাধনমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কথায় প্রায় ৮০ শতাংশ সংক্রমণের রিপোর্ট এসেছে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি থেকে। যা নিয়ে রীতিমত উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শুক্রবার  অন্ধ্র প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, কেরল, তামিলনাড়ু, কর্নাটক -এই ৬ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেই তিনি বলেন করোনাভাইরাসের সংক্রণ রুখতে সবথেকে জরুরি হল টিকাকরণ। প্রতিটি রাজ্যকেই টিকাকরণের ওপর জোর দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি তৃতীয় তরঙ্গ রুখতে রাজ্যগুলিকে করোনা পরীক্ষা আর আক্রান্তদের ট্র্যাকিং করার কথাও বলেছেন। 

প্রধানমন্ত্রী এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে কেন্দ্রের সহযোগিতা নিয়েও রাজ্যগুলিকে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি বলেছেন তাঁর দরজা সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের জন্য সবসময় খোলা থাকবে। করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার সবরকম সহযোগিতা করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ভয়ারতের দরজায় করোনাভাইরাসের তৃতীয় তরঙ্গ রীতিমত কড়া নাড়তে শুরু করেছে। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। কারণ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে করোনাভাইরাসের আধিক্য রয়েছে প্রথম থেকেই। যারমধ্যে কেরলর পরিস্থিতি বিশেষ উদ্বেগজনক। কেরলে করোনাভাইরাসের পাশাপাশি জিকাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবও দেখা দিয়েছে।   করোনা আক্রান্ত রাজ্যগুলির ক্রমতালিকায় প্রথম দিকে থাকা পাঁচটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেই এদিন কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বুধবারই প্রধানমন্ত্রী উত্তর ও পূর্ব ভারতের আটটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেই তৃতীয় তরঙ্গের মোকাবিলার জন্য কড়া আবস্থান নিতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি রাজ্যগুলিকে ভিড় এড়াতেও পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।