শেষ হল ভারতীয় রাজনীতির একটি অধ্যায়। চলে গেলেন বিজেপির বর্ষিয়ান নেতা তথা দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। তাঁর অকাল প্রায়াণে দেশ জুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। রাজনৈতিক মহলও স্তব্ধ।

কয়েকবছর ধরেই শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন অরুণ জেটলি। প্রথমবারের মোদী সরকারের শেষ কয়েকমাস চিকিৎসার জন্য মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে নবনির্বাচিত মোদী সরকারের মন্ত্রীসভায় যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। নতুন মন্ত্রীসভা গঠনের সময়ে তিনি তাঁর শারিরীক অসুস্থতার জন্য মন্ত্রীসভার কোনও দায়ভার নিতে পারবেন না বলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন তিনি। 

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্য়া নিয়ে গত ৯ অগাস্ট দিল্লির (এইসমস)-এ ভর্তি হন অরুণ জেটলি। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসায়ে সাড়া দিলেও গত কয়েকদিনে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। দিন কয়েক আগের একটা মেডিকেল বুলেটিনে বলা হয় যে, তাঁকে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রাখা হয়েছে। 

এর আগে গত ১৯ অগাস্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছিল তাঁর ফুসফুস স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়েছে আর সেই কারণেই তাঁকে একস্ট্রাকর্পোরিয়েল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন (ইসিএমও)-তে রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকার সময়েই তাঁর কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছিল। ১৯ অগাস্ট তাঁর শারিরীক অবস্থার অবণতি হওয়ায় তাঁকে ইসিএমও-তে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তবে এতদিনের জীবনযুদ্ধের শেষে তাঁর জীবনাবসানে রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।