বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে পাঁচ রাজ্যে একধাক্কায় স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার কমিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র।  তারপর থেকে শুরু হয়েছিল তুমুল সমালোচনা। রাত পোহাতেই সিদ্ধান্ত বদল। সমালোচনার মুখে পড়েই ১২ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই সুদের হার প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা করলেন  কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

আরও পড়ুন-ভোটের শুরুতেই রক্তাক্ত কেশপুর-বোমাবাজি সোনাচূড়ায়, ভোট দিতে বাধা কোন কোন বুথে...

 বৃহস্পতিবার সকালেই তড়িঘড়ি  টুইটবার্তায় সীতারামন জানিয়েছেন, 'এখনই সুদের হারে কোনও পরিবর্তন ঘটছে না। ২০২০-২১ সালের শেষ ত্রৈমাসিকে যে হারে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বল্প সঞ্চয়ের প্রকল্পে সুদ মিলত, এখন থেকে সেই হারই বজায় থাকবে। অর্থাৎ ২০২১ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত যে হারে সুদ মিলত, এবার সেই হারেই সুদ মিলবে। যে নির্দেশ জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।'

অগ্নিমূল্য বাজারে সব জিনিসের দামই আঁকাশছোয়া। আমজনতার পকেটে এখন আগুন। এমন বেহাল পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্তের স্বল্প সঞ্চয়ে সুদের হার কমানোর ঝুঁকি নিল না নরেন্দ্র মোদী সরকার। তবে ভুল করে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার কেন্দ্রের। পিপিএফ-এর সুদের হার আগের মতোই থাকবে কিনা, নাকি নয়া ঘোষণা অনুযায়ী তা কমবে, তা খোলসা করেননি সীতারামন। বুধবার রাতে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একাধিক স্বল্প সঞ্চয় এবং পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ড-এ সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। গতকাল রাতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি তে জানানো হয়, ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটে সুদের হার ৬.৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫.৯ শতাংশ করা হয়। এবং সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনায় সুদের হার ৭.৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হয় ৬.৯ শতাংশ। পোস্ট অফিসে মেয়াদি আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট)-এর ক্ষেত্রেও সুদের হার ০.৪০ থেকে ১.১ শতাংশ কমানো হয়। এবং পিপিএফ-এসুদের হার ৭.১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬.৪ শতাংশ করা হয়, যা গত ৪৬ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে এসে ঠেকে। কেন্দ্রের ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই সমালোচনার ঝড় ওঠে । তারপর  রাত পোহাতেই সিদ্ধান্ত বদল। ১লা এপ্রিল থেকে আগের সুদের হার অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানান টুইটে জানান নির্মলা সীতারামন।