দুদিন আগের ঘটনারই কি পুনরাবৃত্তি ঘটবে? রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্নটাই ঘোরাঘুরি করছিল। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী শনিবার বিকেলে ফের হাথরসের মৃতা দলিত তরুণীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বলে জানিয়েছিলেন। দ্বিতীয় প্রয়াসে অবশ্য তাঁরা সফল হলেন। অবশেষে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে তাঁদের দেখা করার অনুমতি দিলেন।

শনিবার সকালেই কংগ্রেস দলের পক্ষ থেকে এদিন বিকেলে ফের দলের হাইকমান্ডের একটি প্রতিনিধি দলের হাথরস যাওয়ার কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছিল। আর তারপরই নয়ডায় দিল্লি-উত্তর প্রদেশ সীমান্তে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দিল্লি-নয়েডা ডাইরেক্ট ফ্লাইওয়ের উপরই বসানো হয় ব্যারিকেড। অন্যদিকে গৌতম বুদ্ধ নগরীতেও উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিশাল পুলিশ বাহিনী।

নয়াদিল্লি থেকে প্রায় কয়েকশ কংগ্রেস কর্মী নিয়ে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর গাড়ি হর এসে পৌঁছায় দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমান্তে। সেখানে তাদের আটকায় পুলিশ। নয়ডার এডিসিপি রণবীজয় সিং বলেন, সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা রয়েছে। কংগ্রেস কর্মীরা তা লঙ্ঘন করছেন। অবৈধ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করছে পুলিশ। কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য বৃহত্তর জনস্বার্থে তাদের ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

তবে রাহুল গান্ধী ওই পুপলিশ কর্তাকে বলেন তাঁরা ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করতে চান না। রাহুল জানান, ওই এলাকা থেকে কংগ্রেসের ৫ জন প্রতিনিধির একটি দল যাবে হাথরসে গণধর্ষণের শিকার হওয়া মৃতা মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। তাঁর এই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার মতো যুক্তি ছিল না পুলিশের কাছে। শেষ পর্যন্ত ৫ জনের কংগ্রেস প্রতিনিধি দলকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। প্রাথমিক তথ্য অনুসারে রাজ্যসভার সাংসদ কেসি ভেনুগোপাল, লোকসভার সাংসদ শশী থারুর এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুকুল ওয়াসনিক রাহুল গান্ধী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রের সঙ্গে হাতরসে যাচ্চেন।