কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আর প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে হাথরসে নিহত নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেওয়া হল। আর এই ঘটনার সামনের সারিতে ছিল উত্তর প্রদেশের পুলিশ। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী এদিন হাথরস যাওয়ার উদ্দেশ্যেই রওয়না দিয়েছিলেন রাহুল আর প্রিয়াঙ্কা। সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা। তাঁরা বেশ কয়েকটি বিলাশবহুল এসইউভি গাড়িতে করে রওনা দিয়েছিলেন। কিন্তু নয়ডারপরই উত্তর প্রদেশ পুলিশ তাঁদের কনভয় আটকে দিয়েছিল। তারপর থেকেই রাহুল গান্ধী আর প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে বচসা শুরু হয় পুলিশের। হাথরসে যাওয়ার জেদে অনড় থাকেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। 

পুলিশের বাধা পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হাঁটেই ১৪০ কিলোমিটার দূরে হাথরসের উদ্দেশ্যে রওয়ান দেন ভাই আর বোন। কিন্তু সেখানেও বাধার সম্মুখীন হতে হয় তাদের। পুলিশ বাধা দেয় রাহুল আর প্রিয়াঙ্কাকে। আর সেই সময়ই রাহুল গান্ধী পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ের। তারপরই পুলিশ সনিয়া তনায়কে গলাধাক্কা দেয়। মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। পুলিশের পাল্টা অভিযোগ রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস সমর্থকরা মহামারি আইন ভেঙেছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে এদিন পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করেছিল। আর আইনভাঙের অপরাধে রাহুল আর প্রিয়াঙ্কাকে আটক করা হয়। 

কংগ্রেস নেতাদের নিয়ে একটি উত্তর প্রদেশ পুলিশের একটি এইইউভি দ্রুতগতিতে দলীয় সমর্থকদের নজরের বাইরে চলে যায়। এরপরই স্থানীয় কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা রাস্তা বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁরা রাহুল গান্ধীর মুক্তির দাবিতে সরব হন। একটি সূত্রের খবর রাহুল আর প্রিয়াঙ্কাকে যমুনা নগর হাইওয়ের পাশে একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে যাওয়া হবে। পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে তাদের মুক্তি দেওয়া হবে। অন্যদিকে উত্তর প্রদেশের পুলিশ জানিয়ে ফরেন্সিক রিপোর্টে নির্যাতিতার শরীরে ধর্ষণের কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাই এ ধর্ষণের কারণে নির্যাতিতার মত্যু হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।