শারিরীক অবস্থার আরও অবণতি হয়েছে দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অরুণ জেটলি। শুক্রবার রাতে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্স (এইসমস)-এর তরফে জানানো হয়েছে শারিরীক অবস্থার আরও অবণতি হয়েছে তাঁর। 

কার্যক্ষমতা হারিয়েছে ফুসফুস, অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় অরুণ জেটলি

এর আগে গত ১৯ অগাস্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছিল তাঁর ফুসফুস স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হারিয়েছে আর সেই কারণেই তাঁকে একস্ট্রাকর্পোরিয়েল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন (ইসিএমও)-তে রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকার সময়েই তাঁর কিডনি প্রতিস্থাপন হয়েছিল। ১৯ অগাস্ট তাঁর শারিরীক অবস্থার অবণতি হওয়ায় তাঁকে ইসিএমও-তে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

সঙ্কট এখনও কাটেনি, অসুস্থ জেটলি-কে দেখতে হাসপাতালের পথে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্য়া নিয়ে গত ৯ অগাস্ট দিল্লির (এইসমস)-এ ভর্তি হন অরুণ জেটলি-কে। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসায়ে সাড়া দিলেও গত কয়েকদিনে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। দিন কয়েক আগের একটা মেডিকেল বুলেটিনে বলা হয় যে, তাঁকে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রাখা হয়েছে। 

কাজ করছে না হৃদযন্ত্র ও ফুসফুস, জেটলি-কে দেখতে শনিবার সকাল থেকে এইমস-এর পথে নেতা-মন্ত্রীরা

তারপর থেকেই তাঁকে হাসপাতালে দেখতে দফায় দফায় যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, এছাড়াও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ আরও অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। 

সঙ্কটেই অরুণ জেটলি, শুক্রবার রাতে তাঁকে দেখতে এইমসে গেলেন অমিত শাহ

 প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে নবনির্বাচিত মোদী সরকারের মন্ত্রীসভায় যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। নতুন মন্ত্রীসভা গঠনের সময়ে তিনি তাঁর শারিরীক অসুস্থতার জন্য মন্ত্রীসভার কোনও দায়ভার নিতে পারবেন না বলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন তিনি।