লখনউ-য়ে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে খুন করা হল হিন্দু সমাজ পার্টির নেতা কমলেশ তিওয়ারি। শুক্রবার সকালে নিজের অফিসেই তাঁকে গুলি করা হয় বলে জানা গিয়েছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।

লখনউয়ের নাকা থানা এলাকায় হিন্দু সমাজের কার্যালয়েই ছিলেন মহাসভার নেতা কমলেশ তিওয়ারি। মনে করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা তাঁর পরিচিত। কারণ কমলেশের ঘনিষ্ট মহল থেকে জানানে হয়েছে এদিন সকালে ওই দুই দুষ্কৃতী কমলেশকে ফোন করেছিল। এরপরই তাঁর অফিসে পৌঁছায় তারা। সঙ্গে ছিল একটি মিষ্টির বাক্স। সেই বাক্সেই পিস্তল ও ছুরি লুকোনো ছিল বলে অভিযোগ।

অফিসে আসার পর দুর্বৃত্তদের সঙ্গে একসঙ্গে চা-ও খান কমলেশ তিওয়ারি। এরপর আচমকাই একজন পিছন থেকে তাঁর গলা ছুরি দিয়ে তাঁর গলা চিড়ে দেয়। আর অপরজনকে খুব কাছ থেকে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় কমলেশকে স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু কিছু পরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। তারা ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। কমলেশের অফিস ও ওই এলাকায় থাকা বিভিন্ন সার্ভেলেন্স ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একইসঙ্গে দুষ্কৃতীদের সন্ধানে কমলেশের মোবাইল ফোনের কল লিস্ট ধরে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

এই হত্যার পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। এর াগে হিন্দু মহাসভার সদস্য ছিলেন কমলেশ। ২০১৫ সালে তিনি সেখানব থেকে বেরিয়ে নিজের আলাদা দল খোলেন। সম্প্রতি বিজেপির পক্ষ থেকে হিন্দু মহাসভার প্রতিষ্ঠাতা বিনায়ক দামোদর সাভারকরকে ভারত রত্ন দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেওয়া হয়েছে। সারা দেশেই বিরোধীরা এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। কমলেশের হত্যার পিছনে রাজনৈতিক কারণের সম্ভাবনও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।