নির্ভয়া গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির ফাঁসি কার্যকর হতে আর মাত্র কয়েক ঘন্টা বাকি। এই সময়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লি হাইকোর্টে ফের একবার মৃত্যু পরোয়ানায় স্থগিতাদেশ চেয়ে মামলা করল চার আসামির তিনজন। বুধবারই, ফাঁসির আদেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে দিল্লির এক নিম্ন আদালতে মামলা করেছিলেন অক্ষয়, পবন ও বিময়-এর আইনজীবী এপি সিং। এদিন নিম্ন আদালতে সেই মামলা খারিজ হয়ে যায়। এরপরই দিল্লি হাইকোর্টে নিম্ন আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।

বিচারপতি মনমোহন-এর নেতৃত্বাধীন দিল্লি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এই আবেদনটি নথিভুক্ত করা হয়। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে এই আবেদন পেশ করা হয়। তিনি, বিচারপতি মনমোহন-এর নেতৃত্বে বেঞ্চ-কে শুনানির জন্য চিহ্নিত করেন।

শুরুতেই, হাইকোর্টে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে এটা আসামি প৭ের একটি মরিয়া প্রচেষ্টা মাত্র। আদালত জানিয়েছে মামলাটি হওযার পক্ষে কোনও হলফনামা বা কোনও পক্ষের মেমো নেই। এ বিষয়ে কোনও নথিই নেই। আইনজীবী এপি সিং-এর এই মামলা করার অনুমতি আছে কি না তাই নিয়েই প্রশ্ন তোলে আদালত।

এপি সিং জবাবে বলেন করোনভাইরাস সংক্রমণের কারণে বলেছেন, কোনও ফটো কপি করার লোক পাওয়া যায়নি বলে তিনি নতি পেশ করতে পরেননি। তিনি তাঁর আবেদনে জানান, এক আসামির একটি আবেদনের মামলা এনএইচআরসি ভারতের মানবাধিকার কমিশন-এর বিচারাধীন রয়েছে। এই আবেদনগুলি মুলতুবি থাকা অবস্থায় ফাঁসি কীভাবে হতে পারে?

তবে আদালতে তাঁর সওয়াল মোটেই জোরালো প্রভাব ফেলতে পারেনি। আদালত জানিয়ে দেয়, এদিন তিন-তিনটি আদালতে তিনি ফাঁসি রদ করার চেষ্টা করেছেন। কাজেই বিচার ব্যবস্থা আসামিদের সুযোগ দেযনি এই কথছা একেবারেই বলা যাবে না। কিন্তু, তাঁর আবেদনের কোনও সারবত্তা নেই। আদালত সাফ জানিয়ে দেয় তাঁর মক্কেলদের 'ঈশ্বরের সঙ্গে মোলাকাত করার সময় এগিয়ে আসছে'। তই সময় নষ্ট না করে যদি কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলার থাকে তা ঝেড়ে কাশার নির্দেশ দেওযা হয় এপি সিং-কে। তাঁর হাতে মাত্র ৪-৫ ঘন্টা রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়।