সেনাপ্রধানের পদে তিনি তাকছেন আর মাত্র ১২দিন। তারপরই তাঁকে ভারতের প্রথম চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বা প্রতিরক্ষা প্রধানের পদে অভিষিক্ত করা হবে বলে সোনা যাচ্ছে। কিন্তু, তাঁর মাথায় ঘুরছে অন্য চিন্তা, ভারত-পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণরেখা। এদিকে গত একবছরে অন্তত দুইবার এই দুই যুযুধান দেশের মধ্যে যুদ্ধ লাগার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করেছে সেনার একটি সূত্র।

আরও পড়ুন - সেনাপ্রধানে বদল, নয়া চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি লেফট্যানেন্ট জেনারেল নারাভানে

বুধবার এক সাংবাদিক  বৈঠকে সেনাপ্রধান জানান, ৩-৪ দিন বাদে-বাদেই পাক সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার অ্যাকশন টিম বা ব্যাট-এর সদস্যরা নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে বারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে। গত ৭২ ঘন্টাতেই ভারতীয় সেনা ব্যাট-এর এইরকম দুটি প্রচেষ্টা বিফল করে দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সুন্দরবনি এলাকায়  ২১ বছরের এক জওয়ান শহিদও হন। যে কোনও মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণরেখা এলাকায় পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

আরও পড়ুন - তৈরি হচ্ছে প্লাস্টিকের রাস্তা, সারা বিশ্বকে পথ দেখাল ভারতীয় সেনা

এদিকে এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে সেনার এক সূত্র দাবি করেছে গত এক বছরে অন্তত দুবার ভারত-পাক যুদ্ধ লাগার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। প্রথমবার, অবশ্যই পুলওয়ামার জঘন্য জঙ্গি হানার পর। প্রত্য়েক সেনাসদস্যেরই রক্ত গরম ছিল। সেই সময়, অল্প কয়েক দিনের মধ্যে যদি আরও একটি হামলা হতো, তাহলে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানে পুরোদমে হামলা চালাতে দ্বিধা করত না।

আরও দেখুন - ভূস্বর্গে পালিত হল বিজয় দিবস, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ লেফট্যানেন্ট জেনারেল ধিঁলোর

আর দ্বিতীয়ত বালাকোটে এয়ারস্ট্রাইকের পরদিন, যখন এফ-১৬ বিমান বাহিনী নিয়ে পাকিস্তানি বায়ুসেনা ভারতে হামলা চালাতে এসেছিল। সেনার সূত্রটি দাবি করেছে, যদি পাক বাহিনী একটিও নিশানায় হামলা করতে সফল হতো, তাহলেই ভারত পাল্টা যুদ্ধের রাস্তায় যেতে পারত। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান-এর নেতৃত্বে ভারতীয় বায়ুসেনা পাক বাহিনীকে হঠিয়ে দেয়। তাই যুদ্ধ আর লাগেনি।

আরও পড়ুন - পুলিশের গুলিতে মরেনি একজনও, কাশ্মীর থেকে সেনা সরছে অসমে