যত কাণ্ড এখন দিল্লিতে। বর্তমানে করোনাভাইরাস সংক্রমণে ভারতের রাজধানীর বেহাল দশা। তাবলিগি জামাত-এর ধর্মীয় সভার পর নিজামুদ্দিন মার্কাজ এখন ভারতের অন্যতম করোনাভাইরাস হটস্পট বলে মনে করা হচ্ছে। করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কে অনেকের মাথা থেকেই বেরিয়ে গিয়েছে, মাসখানেক আগে দিল্লিতে যে নজিরবিহীন হিংসা ছড়িয়ে পড়েছিল, তার কথা। তবে পুলিশ বসে নেই। বৃহস্পতিবার ওই ঘটনায় চক্রান্তে জড়িত থাকার অভিযোগে তারা জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালের এক গবেষককে গ্রেফতার করল। ওই পিএইচডি ছাত্রের নাম মিরান হায়দার। তিনি আবার লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দল-এর দিল্লি যুব শাখার প্রধান।

ফেব্রুয়ারির ২৪ ও ২৫ - দুইদিনের জন্য ভারত সফরে এসেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর পরিবার। তিনি দিল্লিতে থাকাকালীনই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিষয়ে হিংসা থড়িয়ে পড়েছিল উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে। পরের চারদিনের নজিরবিহীন হিংসায় পঁচাত্তর জন লোক নিহত এবং দুশোর-ও বেশি লোক আহত হয়েছিলেন। দিল্লি পুলিশের তদন্তে বেরিয়েছিল, ওই হিংসার পিছনে ছিল গভীর চক্রান্ত। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশ থেকে গুন্ডাবাহিনীকে সংগঠিত করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন - গুলি বিঁধে অন্ধ হয়ে গিয়েছে বাঁ-চোখ, তবু নিজেকে 'ভাগ্য়বান' মনে করছেন নাসির

আরও পড়ুন - দিল্লির হিংসায় আর্থিক সাহায্য হাফিজ সইদের, তেমনই বলছে সূত্র

আরও পড়ুন - দিল্লি হিংসায় বিশ্বব্যপী 'হিন্দুবিদ্বেষ'-এর ঢেউ, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন তুলসী গ্যাবার্ড

হিংসায় ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল বরখাস্ত হওয়া আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর তাহির হুসেনের। সেই সময় ওই আপ নেতা এবং তাঁর ভাইসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। হিংসার সময় এক ভারতীয় গোয়েন্দা বিভাগের এক কর্তা খুন হন। তাঁকে খুনের ঘটনাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে তাহির হুসেন ও ওই সাতজনকে। তারপর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দিল্লি হিংসার ঘটনা ও তার তদন্ত প্রক্রিয়া পিছনে চলে গিয়েছিল। কিন্তু, এদিন ফের ওই গবেষকের গ্রেফতারিতে বোঝা যাচ্ছে পুলিশ তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।