Asianet News BanglaAsianet News Bangla

কংগ্রেস-এ বিশাল ভাঙন, মোদীর সঙ্গে সাক্ষাত-এর পরই কংগ্রেস ছাড়লেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

কংগ্রেস ছাড়লেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

গত কয়েকদিন ধরেই মধ্যপ্রদেশে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল

এদিন অমিত শাহ-কে নিয়ে মোদীর সঙ্গে দেখা করেন সিন্ধিয়া

তারপরই এই সিদ্ধন্ত। কংগ্রেসের নতুন প্রজন্মের নেতাদের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন তিনি

Jyotiraditya Scindia resigns from Congress after meeting PM Narendra Modi
Author
Kolkata, First Published Mar 10, 2020, 12:34 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, কংগ্রেসের নতুন প্রজন্মের নেতাদের অন্যতম প্রধান মুখ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। সেই বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতাই মঙ্গলবার ভারতের জাতীয় কংগ্রেস-এর সঙ্গে সব সম্পর্ক চুকিয়ে দিলেন। হত কয়েকদিন ধরেই মধ্যপ্রদেশে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল। একদিন আগেই জ্যোতিরাদিত্য ঘনিষ্ঠ ২০ জনেরও বেশি বিধায়ক মধ্যপ্রদেশ ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে গিয়ে উঠেছিলেন। এদিন সকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ-এর সঙ্গে জ্য়োতিরাদিত্য সিন্ধিয়া প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবে যান তাঁর সঙ্গে কথা বলতে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পরই সঙ্গে তাঁর কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানান সিন্ধিয়া।

আরও পড়ুন - প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে জ্যোতিরাদিত্য, সঙ্গে অমিত শাহ, সিন্ধিয়ার দলবদলের জল্পনা তুঙ্গে

১৮ বছর আগে কংগ্রে দলের সদস্য হয়েছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। এদিন কংগ্রেস সভাপতি সনিয়া গান্ধীর কাছে তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন। পদত্যাগপত্রে তিনি বলেন, নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী তিনি দেশ ও তাঁর রাজ্যের সেবা করতে পারছেন না। তাই সরে যেতে চান। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর তিনি সম্ভবত গেরুয়া পতাকা ধরতে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন আলাদা দল গড়ে বিজেপির সমর্থনে মধ্যপ্রদেশে নতুন সরকার গড়তে পারেন তিনি।

আরও পড়ুন - পদত্যাগের কয়েক মিনিট পরই বহিষ্কার, 'জোর কা ঝটকা' কেমনভাবে লাগল কংগ্রেস-এ

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন হয়েছিল। সেখানে কংগ্রেস-কে জিতিয়ে আনার পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল জ্যোতিরাদিত্যরই। কিন্তু, তারপরও তাঁকে গুরুত্ব না দিয়ে মধ্যপ্রদেশে দলের অন্য দুই প্রবীন নেতা কমল নাথ ও দিগ্বিজয় সিং-কেই সামনের সারিতে রেখেছিল কংগ্রেস। কার্যত সেই থেকেই মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস তিন গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল। সম্প্রতি রাজ্যসভার নির্বাচন এগিয়ে আসতেই সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে ওঠে।

আরও পড়ুন - দল বেঁধে ২০ মন্ত্রীর পদত্যাগ, 'মাফিয়াবাহিনী'কে জিততে না দেওয়ার হুঙ্কার কমলনাথের

ক্রমে দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছিলেন জ্যোতিরাদিত্য। মাস খানেক আগে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেও কংগ্রেস-এর নাম সরিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। সমাজকর্মী ও ক্রিকেট উৎসাহী হিসাবে নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন। সেই থেকেই তাঁর দলত্যাগের জল্পনা চলছিল। গত কয়েকদিনে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের এই সঙ্কট আরও বাড়ে। প্রথমে ৮ সাংসদ নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলেন। তারা পরে ফিরে এলেও সোমবার আবার মন্ত্রিসভার ৬ সদস্যসহ ২০ জনেরও বেশি সিন্ধিয়া ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস বিধায়ক মধ্যপ্রদেশ ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে চলে যান। সেখানে তাঁদের দেখভাল করছিলেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios