করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে আপাতত মধ্যপ্রদেশ বিধামসভার অধিবেশন স্থগিত করে দিয়েছিলেন স্পিকার। সেই সময়ই বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং পাতিল বলেছিলেন করোনাভাইরাস-ও কমলনাথকে বাঁচাতে পারবে না। শেষ পর্যন্ত হলও তাই। মধ্যপ্রদেশে অবিলম্বে আস্থা ভোট চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল বিজেপি। সেই মামলার শুনানির শেষে শুক্রবার বিকাল ৫টার মধ্যে মধ্যপ্রদেশে আস্থাভোট আয়োজন করার নির্দেশ দিল আদালত।

সুপ্রিম কোর্ট আরও জানিয়েছে, গোপন ব্যালটে এই আস্থা ভোট করা যাবে না। হাত তুলে জানানো সমর্থনের ভিত্তিতে ভোট গণনা করা হবে বলে জানান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়ের নেতৃত্বাধীন দুই বিচারপতির বেঞ্চ। গত ১৬ মার্চ করোনাভাইরাস-এর প্রাদুর্ভাবের কারণ দেখিয়ে বিধানসভার স্পিকারের অধিবেশন স্থগিত করে দিয়েছিলেন। সেি সময় তিনি বলেছিলেন ফের অধিবেশন শুরু হলে তারপরই মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় শক্তি পরীক্ষা দিতে হবে কমলনাথ সরকার-কে।

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২৩০। এর মধ্যে দুই আসন খালি। আর গত ১১ মার্চ মোট ২২জন কংগ্রেস বিধায়ক পদত্যাগ করেন। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রদেশে এখন আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৬। অর্থাৎ সরকার গড়ার ম্যাজিক সংখ্যা ১০৩। বিজেপির মোট সাংসদ সংখ্যা ১০৯। এরমধ্যে দুইজন কংগ্রেসের দিকে ঝুঁকে আছেন। আর কংগ্রেসের হাতে এই মুহূর্তে নিজেদের সাংসদ রয়েছে ৯২ জন। আর বসপা-র ২জন, সপা-র ১জন এবং ৪ জন নির্দল কংগ্রেস-কে সমর্থন করেছিল। অর্থাৎ কমলনাথ সরকারের পক্ষে রয়েছে ৯৯ জনের সমর্থন। এরমধ্যে বসপার দুই বিধায়ক আবার বিজেপির সঙ্গে যোগ রাখছেন। কাজেই কোনওভাবেই সরকার টেকানো সম্ভব নয় কমলনাথ-এর পক্ষে।