প্রত্যাশা মতোই ফের একবার মেয়াদ বাড়ল দেশব্যাপী লকডাউনের। শনিবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ঘোষণা করেছে, কোভিড-১৯ কনটেইনমেন্ট জোনগুলিতে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে লকডাউন, অর্থাৎ আরও একমাস ঘরবন্দি হয়েই কাটাতে হবে কনটেইনমেন্ট জোনের বাসিন্দাদের। তবে এই এক মাসে কনটেইনমেন্ট জোনগুলির বাইরের সমস্ত এলাকায় পর্যায়ক্রমে সব পরিষেবা, কাজ-কারবার ফের খোলা হবে। এই বিষয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল অমিত শাহ-এর মন্ত্রক।

প্রথম ধাপে ৮ জুন থেকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে ধর্মীয় স্থান এবং উপাসনাস্থলগুলি। সেইসঙ্গেই ফের হোটেল, রেস্তোঁরা এবং অন্যান্য আতিথেয়তা পরিষেবা এবং শপিং মলগুলিও খোলার অনুমতি দেওয়া হবে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে খুলবে স্কুল, কলেজ, শিক্ষা / প্রশিক্ষণ / কোচিং প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। তবে এই বিষয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসকদের সঙ্গে পরামর্শ করা হবে।

তৃতীয় ধাপে খোলা হবে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা, মেট্রো রেল, সিনেমা হল, জিমনেসিয়াম, সুইমিং পুল, বিনোদন পার্ক ইত্যাদি। তবে এগুলি কবে খোলা হবে তা পরিস্থিতি নির্ধারণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সেই সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় কাজকর্ম বাদে সারাদেশে রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত লোক চলাচল কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে।

এছাড়া বলা হয়েছে, প্রকাশ্য এসলাকায় ফেস মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, সেই সঙ্গে মানতে হবে সামাজিক দূরত্বের (৬ ফুট) বিধি। বড় জমায়েতও চলবে না। বিয়েতে নিমন্ত্রণ করা যাবে ৫০ জনকে, শেষকৃত্বে ২০। প্রকাশ্যে থুতু ফেলা, মদ্যপান, পান, গুটখা খাওয়া চলবে না। যতটা পারা যায় বাড়ি থেকে কাজ করতে হবে। বাজারের মতো জনসাধারণের এলাকাগুলিতে থার্মাল স্ক্রিনিং, হাত ধোয়া, হ্যান্ড স্যানিটাইজার-এর ব্যবস্থা করা হবে। কাজের জায়গাতেও সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে এবং দরজার হাতলের মতো যেসব জিনিস প্রায় সকলেই স্পর্শ করেন, সেইসব মাঝে-মাঝেই স্য়ানিটাইজ করতে হবে।