এদেশে করোনা সংক্রমণের প্রথম পর্যায়তেই লকডাউনের পথে হেঁটেছে ভারত সরকার। গত ২৪ মার্চের মধ্যরাত থেকে ২১ দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করা হয় গোটা দেশে। আ তাতেই নাকি এদেশে  সংক্রমণকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে করা গেছে বলে দাবি করে আসছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে ফের দেশে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার থেকে চালু হওয়া সেই লকডাউন চলবে ৩ মে পর্যন্ত। তবে কেন্দ্রের এই লকডাউনের বিরুদ্ধে ফের সওয়াল করলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।  লকডাউন যে কনোওভাবেই করোনাভাইরাসের সমাধান নয়, তা আরও একবার বলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি।


ভারতের করোনা যুদ্ধে চিন্তা বাড়াচ্ছে চিন, আমদানি করা পিপিই কিটের মান নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
করোনার থাবায় এবার ভেস্তে যাচ্ছে অমৃত যোগ, গৃহবন্দি বৈশাখে আম হারা জনতা
লকডাউনের মাঝে জীবনযুদ্ধ, অসুস্থ বৃদ্ধ বাবাকে কোলে নিয়ে ছুটছেন ছেলে, ভাইরাল হল ভিডিও

বুধবার দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। আর বৃহস্পতিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাহুল গান্ধী। সেখানেই তিনি বলেন, লকডাউন করোনাভাইরাসের সমাধান নয়। এটা কেবল মাত্র একটা পজ বোতামের কাজ করছে। তাই সরকারের এখনি উচিত আরও কৌশলীভাবে দেশে করোনা পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো। আর তা নাহলে করোনা সংক্রমণের গোড়ায় পৌঁছানো যাবে না। যার পলে দেশে করনো সংক্রমণ আটকানো কঠিন হয়ে যাবে। 

দেশে লকডাউন উঠে গেলেই এই মারণ ভাইরাস আবার তার কাজ শুরু করে দেবে বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। এই প্রসঙ্গেই রাহুল মনে করিয়ে দেন, তিনি নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে করোনা মোকাবিলায় একাধিক বিষয়ে সহমত না হলেও দেশের এই কঠিন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের পাশে থেকেই লড়াই করবেন। 

 
কংগ্রেস নেতা দাবি করেন, তাঁর লোকসভা কেন্দ্র কেরলের ওয়ানাডে করোলা মোকাবিলায় সাফল্য মিলেছে। তাঁর দলের কর্মীরা করোনা সংক্রমণ আটকাতে প্রশাসনের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। রাজ্যগুলিতে জেলাস্তরে কাজে নেমেছেন তাঁরা। ভাইরাসের থেকে সুরক্ষা পেতে গিয়ে দেশের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করে দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন রাহুল। একে সরকার যেন সমালোচনা হিসেবে না নেয়, তাও বলেন তিনি । খাদ্যসংকটের কথা উল্লেখ করে রাহুল বলেন, "সরকারের উচিত খাবারের স্টক খোলা রেখে গরিবদের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া।"