করোনা সংক্রমনের শিকার হয়ে এদেশে চিকিৎসকের আগেই মৃত্যু হয়েছে। এবার দেশের করোনাযুদ্ধের অন্যতম যোদ্ধা পুলিশবাহিনীতেও মৃত্যুর ভয়াল থাবা নিয়ে এল মারণ ভাইরাস। করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হল লুধিয়ানার অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার অব পুলিশ অনিল কোহলির। এর সঙ্গেই পঞ্জাবে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪। 

লুধিয়ানার এসপিএস হাসপাতালে শনিবার সকালেই এসিপি অনিল কোহলি (৫২) শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে পঞ্জাব পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। গত ১১ এপ্রিল থেকে ভেন্টিলেশন রাখা হয়েছিল তাঁকে। এসিপি অনিল কোহলির শরীরে প্রথমে করোনা সংক্রমণের কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। প্রথম করোনা পরীক্ষাতেও তাঁর রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। এর পরে আরও একবার পরীক্ষার ফল পজিটিভ ধরা পড়ে। বর্তমানে পঞ্জাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০২। 

অবেশেষে মিলল গ্রিন সিগন্যাল, বাড়ি ফিরছেন আটকে পড়া ১ লক্ষেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক

ভারতীয় নৌবাহিনীর অন্দরেও এবার করোনার থাবা, একসঙ্গে আক্রান্ত কমপক্ষে ২০ জন আধিকারিক

দেশে একসঙ্গে করোনা আক্রান্ত ৪২৯ জন তবলিগি, পরিস্থিতি সামলাতে দিশেহারা ইসলামাবাদ

প্রয়াত এসিপি-র স্ত্রীও করোনা সংক্রমণের শিকার বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে শুক্রবারই পঞ্জাবের এক রাজস্ব আধিকারিক গরমেল সিং প্রাণ হারান কোভিড ১৯ রোগে। এদিকে এসিপির সংস্পর্শে আসা ৪ পুলিশ আধিকারিকের করোনা পরীক্ষার ফলও পজিটিভ এসেছে। 

এদিকে পুনায় সেসন জেনারেল হাসপাতালের এক চিকিৎসক শনিবার করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি হাসপাতালের কোভিড ১৯ আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিত ছিলেন। এদিকে মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এবার ৩৪ হাজার ছুঁতে চলল। আক্রান্তদের মধ্যে ৮ জন পুলিশ অফিসার এবং ২৯ জন পুলিশকর্মীও রয়েছেন।

উত্তরাখণ্ডে এবার করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছে ৯ মাসের একটি শিশু। ওই শিশুটির বাবা তবলিগি জামাতের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিল। সেখান থেকেই শিশুটির শরীরে সংক্রমণ ছড়ায় বলে মনে করা হচ্ছে।