রীতিমত সংকটে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার। ইতিমধ্যেই ১৭ বিধায়র একটি বিশেষ চার্টাড বিমানে করে উড়ে গেছেন বিজেপি শাসিত কর্নাটকে। চলে যাওয়া কংগ্রেস বিধায়করা বেঙ্গালুরুতে রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। ১৭ বিধায়ক দলে রয়েছে ৬ মন্ত্রীও। বর্তমানে রাহুল গান্ধির ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া রয়েছেন দিল্লিতে। জরুরি ভিত্তিতে তিনি ভূপালে আসবেন বলেই জানাচ্ছে একটি সূত্র। এই পরিস্থিতিতে বিধায়কদের বেঙ্গালুরু যাওয়ায় রীতিমত উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। জরুরি বৈঠকের জন্য সন্ধ্যেবেলাই তাঁর বাসভবনে পৌঁছে গেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। 

 

দলের ১৭ বিধায়কের খবর শুনে জরুরি ভিত্তিতে দিল্লিতে ফিরে আসেন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। চলতি মাসের প্রথমেই কংগ্রেস অভিযোগ করেছিল দল বদলের জন্য বিধায়কদের টাকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে বিজেপি। এককাঠি এদিয়ে দিগ্বিজয় সিং অভিযোগ করেছিলেন টাকার মূল্য ২৫-৩০ কোটি টাকা। কিন্তু বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। এই ইস্যুতে রাজ্যবাসীর কাছে আগেই খোলা চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। কিন্তু এদিন তড়িঘড়ি তাঁরই বাড়িতে ডাকা হয় দলের জরুরি বৈঠক। যেখানে দিগ্বিজয় সিং সহ কংগ্রেসের সব বিধায়কদের উপস্থিত থাকার কথা বলা হচ্ছে। 

 

মাত্র ১৫ মাস মধ্য প্রদেশ দখল করেছে কংগ্রেস। ২৩০ আসনের মধ্য প্রদেশ বিধানসভায় ১২০টি আসন ছিল কংগ্রেসের। সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১১৬। তাই ১৬ থেকে ১৭ জন বিধায়ক দল বদল করলে রীতিমত সংকটে পড়ে যাবে কমল নাথ সরকার। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছিল সংকট। খবর রটে গিয়েছিল প্রায় ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ককে দিল্লির একটি হোটেলে রাখা হয়েছে। বিধায়ক অপরহণের অভিযোগ করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিল বিজেপি। যদিও এখনও পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি বিজেপি।