Asianet News BanglaAsianet News Bangla

তোয়াক্কা নেই সামাজিক দূরত্বের, গা ঘেসাঘেসি করে বিজেপির হাত ধরলেন ২২ বিদ্রোহী সাংসদ

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ভারতে মারাত্বক আকার নিয়েছে

তারমধ্যেই শনিবার বিকেলে মধ্যপ্রদেশে বিজেপি-তে যোগ দিলেন ২২ বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়ক

তোয়াক্কা করলেন না সামাজিক দূরত্বের

হাতধরাধরি করে দাঁড়ালেন একসঙ্গে

 

Madhya Pradesh Crisis, 22 rebel congress MLAs join BJP in presence of Scindia
Author
Kolkata, First Published Mar 21, 2020, 7:13 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ভারতে মারাত্বক আকার নিয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ৯৮ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের উপর মহল থেকে বারবার করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, শনিবার বিকেলে মধ্যপ্রদেশে বিজেপি দলের শীর্ষ নেতারাই সেই পরামর্শ মানলেন না। বিদ্রোহী ২২ কংগ্রেস বিধায়কই এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সভাপতি জেপি নাড্ডা এবং সদ্য দলবদলু জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। সামাজিক দূরত্ব না রেখে সকলে একমঞ্চে হাত গা ঘেসাঘেসি করে হাত ধরাধরি করে দাঁড়ালেন।

গত ৯ মার্চ ভোপাল ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে সেখানকার এক স্থানীয় বিজেপি কাউন্সিলরের জিমম্মায় চলে গিয়েছিলেন এই ২২ বিধায়ক। প্রত্যেকেই কংগ্রেসে সিন্ধিয়া ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। পরদিনই দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ-এর সঙ্গে দেখা করে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন একসময়ে রাহুল গান্ধীর সেকেন্ড ইন কমান্ড জ্য়োতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তারপর দিন বিজেপি-তে যোগ দেন সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার হাত ধরে।

সেই সময় শোনা যাচ্ছিল বিদ্রোহী ২২ বিধায়কের অনেকেই বিজেপি-তে যোগ দিতে নারাজ। তাঁরা বলছিলেন কংগ্রেসের মধ্যে থেকে জ্যোতিরাদিত্যের যোগ্য জায়গার জন্য তাঁর বিদ্রোহে সামিল হবেন বলেই তাঁরা ভোপাল ছেড়েছিলেন। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার কথা ভেবে নয়। শোনা যাচ্ছিল তাঁদের কেউ কেউ কমলনাথ শিবিরে ফিরেও যেতে পারেন। কিন্তু, কমলনাথ বিজেপি তাঁদের অপহরণ কর রেখেছে জাতীয় মন্তব্য করতেই সকলে তাঁর বিরুদ্ধে এককাট্টা হয়ে যান।

এদিন বিকেলেই দিল্লিতে যে হোটেলে পদত্যাগী কংগ্রেস বিধায়করা ছিলেন সেই হোটেলে চলে আসেন সদ্য বিজেপি হওয়া জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনিই বিদ্রোহীদের সকলকে নিয়ে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার বাসভবনে। সেখানে জেপি নাড্ডার হাত থেকেই প্রত্যেকে একে একে বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করেন।

শুক্রবার, আস্থা ভোট আয়োজনের আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন কমলনাথ। তার পরই মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা স্থগিত করে দেওয়া হয়। কমলনাথ প্রথমে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। পরে রাজ্যপালের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন। বিধানসভার স্পিকার বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার পরই পরাজয় মেনে নেন কমলনাথ। তা ছাড়া উপায়ও ছিল না, কারণ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় এখন কংগ্রেসের শক্তি ১১৪ থেকে কমে ৯৯ হয়ে গিয়েছে।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios