আগামীকাল বুধবার, ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬ টাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বহুল প্রতীক্ষিত মন্ত্রিসভার অদল-বদল ঘটানো হতে পারে। এর আগে জানা গিয়েছিল ৮ জুলাই বৃহস্পতিবার ঘটবে মন্ত্রিসভার পরিবর্তন। সূত্রের দাবি মন্ত্রিসভায় 'শোষিত, পিড়িত, বঞ্চিত ও আদিবাসী' প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। সেইসঙ্গে জোর থাকবে আরও তরুণ মুখকে তুলে আনার দিকেও। বিভিন্ন ক্ষেত্রের পিএইচডি, এমবিএ, স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের মন্ত্রিসভায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সূত্রের দাবি, এইবারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে প্রতিটি রাজ্য থেকে দেশের এমনকী ক্ষুদ্রতম সম্প্রদায়েরও যেন প্রতিনিধিত্ব থাকে। মন্ত্রিসভায় মহিলা প্রতিনিধিত্বও বাড়ানো হবে এবং স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে মন্ত্রিসভার গড় বয়স সর্বনিম্ন হবে বলেই দাবি ওই সরকারি সূত্রের। আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে বা কেন্দ্রে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে।

২০১৯ সালের মে মাসে ক্ষমতায় এসেছছিল দ্বিতীয় মোদী সরকা। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় কোনও রদবদল বা বিস্তৃতি ঘটেনি। বেশ কয়েকজন মন্ত্রী তিন-তিনটি করে গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কয়েকজন মন্ত্রীর তো দপ্তরে প্রতিমন্ত্রীও নেই। অন্যদিকে এনডিএ থেকে অকালি দল সরে আসার পর, মোদী মন্ত্রীসভায় বর্তমানে শুধুমাত্র বিজেপিরই প্রতিনিধিত্ব রয়েছে, এনডিএ-র কোনও শরিক দলেরই প্রতিনিধিত্ব নেই। এই অবস্থায় ক্যাবিনেটে অংশ গ্রহণে আগ্রহ দেখিয়েছে বিহারের জোটসঙ্গী জেডি (ইউ)।

বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকজন নেতাকে দিল্লিতে ডেকে আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যেসব পিছিয়ে পড়া জাতি-উপজাতির মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব নেই, বা প্রতিনিধিত্ব কম - নির্বাচনের আগে তাদের মন্ত্রিসভায় বিশেষ জায়গা দেওয়া হতে পারে। এছাড়া বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণ রাণে, অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়ালরাও দিল্লিতে আসছেন বলে জানা গিয়েছে। সদ্য উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া বিজেপি সাংসদ তীর্থ সিং রাওয়াতকেও মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে।