রীতিমত সাজসাজ রব বিজেপি শিবিরে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ফের মধ্যপ্রদেশের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। মুখ্যমন্ত্রীত্বের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন ৬১ বছরের বিজেপি বিধায়ক তথা মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তবে গদি ছাড়ার আগে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করে রীতিমত হুংকার দিয়েছেন কমল নাথ। তিনি বলেছেন তাঁর নির্বাচিত সরকার ফেলে দিতে মধ্যপ্রদেশের মহারাজ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও তাঁর অনুগামী ২২ জন বিধায়ককে নিয়ে যড়যন্ত্র করেছে বিজেপি। রাজ্যের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে গেরুয়া শিবির। ১৫ মাস সরকারে থেকে তিনি কৃষক ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছেন বলেও দাবি করেন। এদিন কমল নাথের নিশানায় ছিলেন দলত্যাগী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও। সিন্ধিয়া ক্ষমতালোভী বলেও সমালোচনা করেন। অন্যদিকে কমল নাথ গদি ছাড়ার কথা ঘোষণা করার সঙ্গে সঙ্গেই ট্যুইট করেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তিনি বলেন এতদিনে জয় হল মধ্যপ্রদেশের মানুষের। মানুষের সঙ্গে না থেকে কখনই রাজনীতি করা যায় না বলেই মন্তব্য করেন মধ্যপ্রদেশের মহারাজা। 

আরও পড়ুনঃ সামাজিক দূরত্ব মদের দোকানেও, করোনা আক্রান্ত কেরল থেকে ভাইরাল ভিডিও

আরও পড়ুনঃ ৭ বছর পর শান্তি পেয়েছে মেয়ের আত্মা, বাঁধ মানল না বালিয়াও

আরও পড়ুনঃ আশাদেবীর সঙ্গে রাত জাগল রাজধানীও, ফাঁসি হতেই জেলের বাইরে উৎসবের মেজাজ

সুপ্রিম কোর্ট মধ্যপ্রদেশের স্পিকার এনপি চৌহানকে আজ বিকেলের মধ্যেই মধ্যপ্রদেশের আস্থাভোট সম্পন্ন করতে বলেছিল। সেইমত এদিন সকালে বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশনও ডাকাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু এদিন সকালেই কিছুটা নাটকীয়ভাবে রাজ্যপাল লালজি ট্যানডের কাছে গিয়ে পদত্যাগ পত্র জামা দেন। 

 

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর অনুগামী ২২ বিধায়কও পদত্যাগ করেন। কিন্তু  ৬ জনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেও বাকিদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে মধ্যপ্রদেশের সরকার গঠনের ম্যাজিক ফিগার ১০৪। কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছে মাত্র ৯৯ বিধায়কের সমর্থন। বিজেপি বিধায়ক সংখ্যা ১০৭। তাই বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষায় পরাজয় নিশ্চিত জেনেও আর কালবিলম্ব করেননি কমল নাথ। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে কমল নাথ পদত্যাগ করায় সরকার গঠনে বিজেপির সামনে আর কোনও বাধাই রইল না বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।