ফের এদেশে করোনা আক্রান্তের মৃত্যু। বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ের এইচএন রিলায়েন্স হাসপাতালে শনিবার ভর্তি করা হয়েছিল ৬৩ বছরের এক প্রৌঢ়কে। রবিবার ভোরে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। করোনাভাইরাস পজিটিভ থাকার পাশাপাশি ওই ব্যক্তি ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপে ভুগছিলেন। সেইসঙ্গে হৃদযন্ত্রেও তাঁর সমস্যা ছিল। মহারাষ্ট্র সরকারের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে এই তথ্য প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। করোনা সংক্রমণে ৬৩ বছরের প্রৌঢ়ের মৃত্যুর ফলে মুম্বইতে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২।

 

 

কেবল মুম্বই নয় এদিন পাটনাতেও করোনার বলি হয়েছেন এক যুবক। পাটানর  এইমসে ৩৮ বছরের ওই যুবকের মৃত্যু হয় কিডনি ফেইল করে। তার শরীরে পরীক্ষায় কোভিড-১৯ অস্তিস্ব পাওয়া গিয়েছিল। ২ দিন ওই ব্যক্তি কলকাতা থেকে ফেরেন বলে জানা যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে কাতারে কর্মরত থাকা ওই ব্যক্তির বাড়ি মুঙ্গেরে। 

 

 

এর আগে কর্ণাটক, দিল্লি ও পঞ্জাবে করোনা আক্রান্ত হয়ে তিন ভারতবাসীর মৃত্যু হয়েছিল। এঁদের সকলের বয়সই ছিল ষাটের উর্দ্ধে।  এই প্রথম বয়সে তরুণদের উপরও করোনার করাল থাবা  আঘাত হানল। অন্যদিকে জয়পুরে ৬৯ বছরের এক ইতালিয় পর্যটকেরও গত শুক্রবার মৃত্যু হয়। যদিও করোনা সংক্রমণ থেকে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন বলে জাবি চিকিৎসকদের। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তিনি মারা যান বলে দাবি করা হয়েছে। 

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মোদীর আহ্বানে সাড়া , জনতা ফারফিউতে কার্যত স্তব্ধ তিলোত্তমা

ভয় ধরিয়ে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪, এয়ার ইন্ডিয়া রোম থেকে ফেরাল ২৬৩ পড়ুয়াকে

এদেশে আর নামতে পারবে না বিদেশের বিমান, ১২০ জন ভারতীয়কে নিয়ে ফিরতে হল ডাচ বিমানকে

 করোনা সংক্রমণে দেশের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে আগামী কদিন পঞ্জাবকে লকডাউন করে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। রাজ্যটির এখনও পর্যন্ত জলন্ধর, পাটিয়ালা, হোসিয়ারপুর, কাপুরথানা, ভাটিন্ডা ও নয়নশহর এলাকায় করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। 

 

 

এদিকে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রবিবার বেড়ে দাঁড়াস ৩৪১। এদিন সকালে নতুন করে ১০ জনের শরীরে সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে ৬ জন মুম্বই ও ৪ জন পুনের বাসিন্দা বলে জানা যাচ্ছে। ফলে মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৭৪।