প্রথমে কথা ছিল ফাঁসি হবে ২২ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু অন্যতম আসামি মুকেশ সিং রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন জানানোয় সেই তারিখ পিছিয়ে যায়। নতুন ফাঁসির তারিখ হিসেবে ১ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু আরও একবার ফাঁসি পিছিয়ে যেতে চলেছে। বুধবার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছে আরও এক আসামি বিনয় শর্মা। যার জেরে তিহার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছ, ১ ফেব্রুয়রির ফাঁসি স্থগিত রাখা ছাড়া তাদের হাতে অন্য কোনও উপায় নেই। এদিন আবার দিল্লির এক আদালতে ১ ফেব্রুয়ারির ফাঁসিতে স্থগিতাদেশ চেয়ে নতুন মামলা করেছে আসামিরা।

২০১৮ সালের দিল্লি জেল ম্যানুয়াল অনুযায়ী কোনও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রাণভিক্ষার আবেদন জানালে কারা সুপারিনটেন্ড-কে, আসামির আবেদনের সঙ্গে একটি হলফনামা জারি করতে হয়। তাতে জানাতে হয়, সরকারের আদেশ না আসা পর্যন্ত নির্ধারিত দিনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়ে স্থগিতাদেশ জারি করা হল।

তিহার জেলের আইজি রাজকুমার বলেছেন, বিনয় যেহেতু সরাসরি রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছেন, তাই তার আবেদন জেল ম্যানুয়াল অনুসারে আইনী আনুষ্ঠানিকতা পূরণ করতে তিহার জেলে আসবে। আর তা পৌঁছে গেলেই নিয়ম অনুসারে, জেল সুপারকে চারজন আসামিরই ফাঁসি স্থগিত রাখতে হবে। আইন বলছে যে একই অপরাধে একাধিক ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের কাউকে আলাদাভাবে ফাঁসি দেওয়া যাবে না।

৩০০ পৃষ্ঠার প্রাণভিক্ষার আবেদনে বিনয় অভিযোগ করেছে তিহারে অন্যান্য কয়েদিরা ও কারা কর্তৃপক্ষ তাকে শারীরিক নির্যাতন করেছে। রাষ্ট্রপতির আইনজীবী এপি সিং-এর সামনে সে মৌখিক উপস্থাপনের অনুমতি চেয়েছে। ব বৃহস্পতিবার আবার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনজীবী দিল্লির এক আদালতে ১ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ফাঁসির উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করেছেন। তাদের দাবি তাদের আইনী প্রতিকার এখনও বাকি আছে। এদিন বেলার দিকে এই মামলার শুনানি হবে।