খড়কুটো আকড়ে ধরে বাঁচতে চাইছে নির্ভয়াকাণ্ডের আসামিরা। বৃহস্পতিবার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির অন্যতম বিনয়কুমার শর্মা সুপ্রিম কোর্টে কিউরেটিভ আপিল করল। দিল্লির এক দায়রা আদালত গত ৭ জানুয়ারি চার আসামির বিরুদ্ধেই মৃত্যুর পরোয়ানা জারি করেছে। ২২ জানুয়ারী সকাল সাড়ে সাতটায় তাদের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা।

তবে রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বিচারপতি সতীশ কুমার অরোরা আরও জানিয়েছিলেন, কিউরেটিভ আপিল করতে হলে তা করতে হবে ১৪ দিনের মধ্যেই। ওই সময়ই আসামিদের পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছিলেন তাঁরা সুপ্রিম কোর্টে একটি কিউরেটিভ পিটিশন দাখিল করবেন। সেই মতো এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিনয়কুমার শর্মা কিউরেটিভ আপিল করল। তবে তাঁর আবেদনে আদালতের সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম। ফাঁসি পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম।

এই ঘটনার চার আসামি অক্ষয়, পবন, বিনয় এবং মুকেশ-কে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এক ট্রায়াল আদালত মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করেছিল। ২০১৪ সালের মার্চ মাসে দিল্লি হাইকোর্টও এই রায়ের পক্ষেই সম্মতি দিয়েছিল। ২০১৭  সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট-ও এই দণ্ডাদেশ বহাল রাখে। তারপর সেই রায়ের পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছিল আসামিরা। সম্প্রতি শীর্ষ আদালতে তাও খারিজ হয়ে গিয়েছে। শেষ আইনি আশ্রয় এই কিউরেটিভ পিটিশন।

২০১২ সালের এই নৃশংস ঘটনায় জড়িত ছয়জনকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ ও হত্যার মামলা করা হয়েছিল। ছয় আসামির মধ্যে একজন ছিল নাবালক। জুভেনাইল আদালতে তার বিচার হয়েছে। আর মূল আসামি রাম সিং তিহার জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় আত্মহত্যা করেন।