বৃহস্পতিবার সকালে করোনাভ্য়াকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন নয়া দিল্লির এইমস এসে ভ্য়াকসিনের দ্বিতীয় টিকা গ্রহণ করেছেন মোদী। এদিন তিনি দেশবাসীকে টুইট বার্তা জানিয়েছেন, ' করোনা টিকা নেওয়ার আপনি  যোগ্য হলে টিকা গ্রহণ করে ভাইরাসকে পরাস্ত করুন।'

 

আরও পড়ুন, চতুর্থ দফার আগে করোনার ভয়াবহ সংক্রমণ, একদিনে আক্রান্ত ২৩০০ এরও বেশী 

 

 


 বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লি অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সে গিয়ে টিকা নিয়েছেন তিনি। এদিন তাঁকে টিকা দিয়েছেন পঞ্জাবের সিস্টার নিশা শর্মা তাঁকে প্রথম ডোজটি দিয়েছিলেন পদুচেরির বাসিন্দা নিবেদাও। এদিন তিনিও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর টিকাকরণের সময়। গতমাসে করোনাভাইরাসের প্রথম ডোসটি নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় পদুচেরির নিবেদদাও-র সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেরলের সিস্টার রোসম্মা অনিল। এদিন টিকা নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি করোনাভ্য়াকসিনের দ্বিতীয় ডোজটি নিয়েছেন দিল্লির এইমস থেকে। করোনাভাইরাসকে পরাস্ত করার কয়েকটি হাতিয়ারের মধ্যে টিকাগ্রহণ করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি নাগরকিদের উদ্দেশ্যে বলেছেন,' আপনি যদি টিকার জন্য যোগ্য হন তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনাকেও টিকা দেওয়া হবে।' প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বার টিকা নেওয়ার ছবিটিও শেয়ার করেছেন তিনি। 

 

আরও পড়ুন, Election Live Update-বেহালায় মমতা-মেখলিগঞ্জে রোড শোয়ে নাড্ডা, ওদিকে হাওড়ায় যোগীর পাল্টা জয়া 

 

কলকাতা-সহ রাজ্য়ে করোনা সংক্রমণ ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। তীরের বেগে প্রায় প্রতিদিনই এগোচ্ছে সংখ্যা। আক্রান্ত হয়েছেন কমিশনের পর্যবেক্ষক সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও। এদিকে রাজ্যে  ১ মাসের মধ্য়ে একদিনের করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৭ গুনেরও বেশি। ৮ মার্চ স্বাস্থ্য ভবনের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে সংক্রমণের  সংখ্যাটা ছিল ২১৫। এদিকে মার্চ পেরিয়ে এপ্রিলে পা দিতেই তা প্রায় ১১ গুন বেড়ে দাড়িয়েছে   ২৩৯০-এ। বেড়েছে মৃত্যু সংখ্যাও। সুস্থতার হারও হুহু করে নীচে নামছে ক্রমশ। অপরদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রের খবর, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশে মারাত্মক ছোঁয়াছে রোগে আক্রান্ত গয়েছে ১ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৮৯ জন। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬৮৫ জনের। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশগুলির ক্রমতালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। এমন পরিস্থিতিতে রীতিমত চিন্তায় চিকিৎসকেরা।