চার মাসে দু'বার মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন হল উত্তরাখণ্ডে। গতকালই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন তিরথ সিং রাওয়াত। উত্তরাখণ্ডের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হলেন পুষ্কর সিং ধামি।

 

 

আজ দুপুরে দেরাদুনে দলের সদর দফতরে বিজেপির পরিষদীয় দলের বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নরেন্দ্র সিং তোমর এবং উত্তরাখণ্ড বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দুশন্ত কুমার গৌতম। সেই বৈঠকেই পুষ্কর সিং ধামিকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। উত্তরাখণ্ডে যুব মোর্চার সভাপতি ছিলেন ধামি। 

আরও পড়ুন- 'এই দেশের সংস্কৃতিই সর্বশ্রেষ্ঠ', জানালেন 'গর্বিত' ভারতীয় মুসলমানরা - কী উঠে এল সমীক্ষায়

মাত্র চার মাস আগে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন তিরথ সিং রাওয়াত। ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতকে সরিয়ে তাঁকে উত্তরাখণ্ডের দায়িত্ব দিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু, নির্বাচনের আগেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়তে চান বলে জল্পনা শুরু হয়। শুক্রবার রাতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। গত তিনদিন ধরেই তিনি দিল্লিতে ছিলেন। বৈঠক করছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বদের সঙ্গে। তারপরই নিজেকে সরিয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে। সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বনিবনা হচ্ছিল না। একাধিক রাজ্য নেতৃত্ব তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করছিলেন। তাঁর পদত্যাগের পরেই প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল, কে বসবেন রাজ্যের মসনদে। পুষ্কর সিং ধামি ছাড়া উঠে এসেছিল আরও কয়েকজনের নাম। শেষ পর্যন্ত পুষ্করকেই বেছে নিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।

আরও পড়ুন- এখন ছোটো শিল্পের তকমা পাবে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা, 'ঐতিহাসিক পদক্ষেপ' বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর

গত মার্চের ত্রিবেন্দ্রের পরিবর্তে পাউরি গারোয়ালের সাংসদ তিরথকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসিয়েছিল বিজেপি। নিয়ম অনুযায়ী, ছ'মাসের মধ্যে তাঁকে কোনও বিধানসভা আসন থেকে জিতে আসতে হত। যে মেয়াদ আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হচ্ছিল। কিন্তু, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন সম্ভব হয়নি। এরপর তিরথকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসানো হয়েছিল। এদিকে বিধায়ক ছিলেন না তিরথও। কিন্তু, মেয়াদ শেষ হওয়ার দু'মাস আগেই ইস্তফা দিলেন তিনি।