বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গওয়ার জানিয়েছেন, চলতি আর্থিক বছরেই এম্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন সুদ কমাচ্ছে প্রভিডেন্ট ফান্ডের। এদিন তিনি জানিয়েছেন, এই আর্থিক বছর থেকে সাড়ে ৮ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হবে। এতদিন প্রভিডেন্ট ফান্ডে ৮.৬৫ শতাংশ হারে সুদ দেওয়া হত। ইপিএফও-র আয়ের ঘাটতির কমাতেই ইপিএফের সুদের হার কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে শ্রমমন্ত্রক। বিষয়টি এখন কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের পর্যালোচনায় আছে।

অর্থাৎ, নতুন আর্থিক বছরে প্রভিডেন্ট ফান্ডে ০.১৫ শতাংশ বা ১৫ বেসিস পয়েন্ট কাটা যাচ্ছে বিভিন্ন সংস্থার কর্মচারীদের। প্রভিডেন্ট ফান্ড প্রকল্পে বর্তমানে ছয় কোটিরও বেশি ভারতীয় রয়েছেন। এই সুদ কমাতে তাদের মাথাব্যথা আরও যে বাড়ল তা বলাই বাহুল্য। তবে বিষয়টিতে এখনও সিলমোহর দেয়নি কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। শ্রম মন্ত্রকের সঙ্গে তারা এই বিষয়ে একমত হলেই কমবে সুদের হার। কারণ ভারত সরকারই ইপিএফ-এর গ্যারেন্টর। অর্থমন্ত্রক অবশ্য বেশ কয়েক বছর ধরেই ইপিএফ এবং পোস্ট অফিস সেভিংস-এর মতো অন্যান্য সরকারি ক্ষুদ্র সঞ্চয় প্রকল্পগুলির বেহাল দশার জন্য শ্রম মন্ত্রকের সমালোচনা করছে।

প্রতি বছরই বেতনভোগী ভারতীয়দের জন্য চালু থাকা প্রভিডেন্ট ফান্ড প্রকল্পের জন্য প্রযোজ্য সুদের হার পর্যালোচনা করে থাকে সরকার। ইপিএফও ২০১৭-১৮ সালে গ্রাহকদের ৮.৬৫ শতাংশ হারে সুদ দিয়েছিল। তার আগের বছর অর্থাৎ ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে সুদ দেওয়া হয়েছিল ৮.৫৫ শতাংশ হারে। তার আগের বছর ২০১৫-১৬ অবশ্য অনেকটাই বেশি ছিল ইপিএফ-এর সুদের হার, ৮.৮ শতাংশ। তার আগের দুই আর্থিক বছরে সুদের হার ছিল ৮.৭৫ শতাংশ এবং ৮.৫ শতাংশ।