অসমে নাগরিকপঞ্জির তালিকা তৈরির কোঅর্ডিনেটর প্রতীক হাজালাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করল সুপ্রিম কোর্ট। সাত দিনের মধ্যে কেন্দ্রকে নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে। তবে যতদিন পর্যন্ত এই বদলি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে ততদিন ডেপুটেশনে থাকবেন হাজেলা, জানিয়েছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন একটি ডিভিশন বেঞ্চ। সরকারের তরফে হাজেলার স্থানান্তর নিয়ে কারণ জানতে চান অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল। তবে কারণ থাকলেও তা প্রকাশ্যে জানাতে চায়নি শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের আচমকা এই নির্দেশে অবাক হয়েছেন অনেকেই। তূ

অসমে নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর রাজনৈতির দলগুলি থেকে শুরু করে  নানা সংগঠন আক্রমণ শানিয়েছে হাজেলার বিরুদ্ধে। অভিযোগ তোলা হয়েছে, ষড়য়ন্ত্র করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব প্রদান করেছেন এনআরসির কোঅর্ডিনেটর। এহেন পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত নতুন করে জল্পনা উস্কে দিল। 

প্রতী হাজেলা (৪৮) অসং-মেঘালয় ক্যাডারের ১৯৯৫ ব্যাচের আইএএস আধিকারিক। তাঁকে অসমের নাগরিক তালিকা সংশোধন করার জন্য খসড়া তালিকা তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই  অসমের নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশিত হয়েছিল। যেখানে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৩.২৯ কোটি। তার মধ্যে থেকে বাদ দেওয়া হয় ৪০ লক্ষ আেবদনকারীর নাম। চলতি বছর ৩১ অগস্ট প্রকাশ হয় নাগরিকপঞ্জি। সেখানে বাদ পড়ে আরও ১৯ লক্ষ নাম। এদের মধ্যে অধিকাংশই হিন্দু বাঙালি। বাদ পড়ে ভূমিপুত্র অসমীয়াদের নামও। তারপরেই প্রবল সমালোচনার মুখে পড়তে হয় হাজেলকে। সূত্রের খবর, হাজেলের নিরাপত্তার কারণেই তাঁকে অসম থেকে মধ্যপ্রদেশে স্থানাস্তর করা হল।