ভারতের  সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে সুবিধা করতে না পেরে কি এবার পাক জঙ্গিদের কাজে লাগাচ্ছে চিন? বেজিং-ই কি তাদের ড্রোন সরবরাহ করছে? গত ৩ দিন ধরে জম্মু সেক্টরে বারে বারে ড্রোন হানা দেওয়ার মধ্যেই বুধবার এই প্রশ্নটা উঠে গেল। বিহারের পূর্ব চম্পারান জেলায়, ইন্দো-নেপাল সীমান্তের কাছ থেকে সশস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি (SSB)-র হাতে ধরা পড়ল তিনজন পাটারকারী। তাদের কাছ থেকে মিলেছে ৮টি ড্রোন, যেগুলি Made in China, অর্থাৎ, চিনের তৈরি।

জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে এসএসবি খবর পেয়েছিল, যে নেপাল সীমান্ত দিয়ে, কয়েকজন চোরা পাচারকারী, কিছু নিষিদ্ধ পণ্য নিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে চলেছে। আর এরপরই, ওই অঞ্চলে টহলদারী বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এসএসবি-র জওয়ানরা। বুধবার ভোরে এই টহলদারীর সময়ই নেপালের দিক থেকে আসা একটি গাড়ি থামিয়েছিল তারা। আর সেই গাড়ি তল্লাশি করতে গিয়েই হাতে আসে চিনের তৈরি ড্রোনগুলি। এরপরই ওই গাড়িতে থাকা তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

তারা, কোন দেশের নাগরিক, তা এখনও এসএসবি-র পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। এই ড্রোনগুলি তারা কার কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল, কী উদ্দেশ্যে কাকে দিতে যাচ্ছিল - সেইসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গত রবিবার জম্মু বিমানবন্দরে ভারতীয় বায়ুসেনার ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা করা হয়। একেবারে ছোট আকারের ড্রোন ব্যবহার করে দুটি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। এর পিছনে পাক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার হাত রয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এটি ভারতে জঙ্গিদের প্রথম ড্রোন হানা ছিল। তার পরের দুদিনেও জম্মুতে ড্রোন হানা দিয়েছে। এই হামলাগুলির সঙ্গে, বুধবার ভোরে বিহারে ধরা পড়া এই চিনা ড্রোনগুলির কোনও সম্পর্ক আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।