কর্ণাটকের বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের ইস্তফা নিয়ে সিদ্ধান্তের ভার অধ্যক্ষের উপরেই ছাড়ল সু্প্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে শীর্ষ আদালতের রায়ে কংগ্রেস- জেডিএস জোট সরকারের পতন একরকম নিশ্চিত হয়ে গেল। 

আরও পড়ুন- 'মাই লর্ড' বা 'ইওর লর্ডশিপ' বলে আর সম্বোধন করা যাবে না বিচারপতিদের, জানাল হাইকোর্ট

কর্ণাটকের একাধিক মন্ত্রী-সহ মোট পনেরো বিধায়ক ইস্তফা জমা দিয়েছিলেন। যার জেরে সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে কুমারস্বামী সরকার। বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিজেদের কবজায় নেওয়ার অভিযোগ ওঠে বিজেপি-র বিরুদ্ধে। কিন্তু বিধানসভার অধ্যক্ষ রমেশ কুমার পদ্ধতিগত গলদের প্রশ্ন তুলে সেই ইস্তফার কোনওটিই গ্রহণ করেননি। এর পরেই ওই বিক্ষুব্ধ বিধায়করা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। 

এ দিন রায় দিতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিয়ে যথাযথ সময়ে সিদ্ধান্ত নেবেন কর্ণাটক বিধানসভার অধ্যক্ষ। এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে সাংবিধানিক ভারসাম্য নষ্ট করতে চায় না শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে অবশ্য আদালত জানিয়ে দিয়েছে, আস্থা ভোটে অংশ নেওয়ার জন্য কোনওভাবেই ওই বিধায়কদের জোর করা যাবে না। 

আদালতের এই নির্দেশে কংগ্রেস- জেডিএস জোট সরকারের পতন অনেকটাই নিশ্চিত। বৃহস্পতিবার কর্ণাটকে আস্থাভোট রয়েছে। কর্ণাটক বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ২২৪। তার মধ্যে থেকে পনেরোজন বিক্ষুব্ধ বিধায়ককে বাদ দিয়ে দিলে মোট আসনসংখ্যা হবে ২০৯। সেক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে প্রয়োজন হবে ১০৫ বিধায়কের সমর্থন। দুই নির্দল বিধায়কের সমর্থন ধরে তাদের হাতে এখন ১০৭ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি বিজেপি নেতাদের। ফলে কর্ণাটকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে কংগ্রেস এবং জেডিএস।