ফের একবার নরেন্দ্র মোদী মন্ত্রীসভায় থাবা বসালো করোনাভাইরাস। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-এর পর, মঙ্গলবার করোনভাইরাস পরীক্ষার ফল ইতিবাচক এল কেন্দ্রীয় তেলমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান-এর। অমিত শাহ-এর মতোই তাঁকেও হরিয়ানার গুরুগ্রামের মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হল।

গত রবিবার বিকালে করোনা ধরা পড়ার পর এই বেসরকারি হাসপাতালেই ভর্তি করা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-কে। তবে অমিত শাহ-এর থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের দেহে করোনা সংক্রমণ হয়নি বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ গত সপ্তাহে এই মেদান্ত হাসপাতালেই অসুস্থতার জন্য ভর্তি ছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। যার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনে আয়োজিত সর্বশেষ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেও অংশ নিতে পারেননি তিনি। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ। যার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে রাজনাথ সিং, নির্মলা সীতারামন-সহ প্রায় সকল শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রীদেরই এখন কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

৫১ বছর বয়সী ধর্মেন্দ্র প্রধানই ভারতের দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যিনি কোভিড-১৯ পজিটিভ হিসাবে সনাক্ত হলেন। তবে এই দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছাড়াও, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা, কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া, তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল বানোয়ারিলাল পুরোহিত-এর মতো বহু বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বই করোনার কবলে পড়েছেন। করোনার সঙ্গে লড়তে না পেরে মৃত্যু হয়েছে, উত্তরপ্রদেশের কারিগরি শিক্ষামন্ত্রী কমল রানী বরুণ-এর।