হায়দরাবাদে ২৬ বছরের পশু চিকিৎসকের গণধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে দেশজোড়া প্রতিবাদ চলছে। কিন্তু ধর্ষকরা একেবারে বেপরোয়া। এর আগে গত মার্চে গোটা দেশকে নড়িয়ে দিয়েছিল য়ে উন্নাও গণধর্ষণের ঘটনা, সেই ঘটনার নির্যাতিতা ২০ বছরের তরুণীকে বৃহস্পতিবার পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করল একদল অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর দেহের ৯০ শতাংশই পুড়ে গিয়েছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে তাঁকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল। অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই এখন জামিনে মুক্ত। এদিনের ঘটনার পিছনে তাদেরই হাত আছে বলে মনে করা হচ্ছে।   

জানা গিয়েছে, এদিন ওই তরুণী গ্রামের পথ ধরে কাছের রেল স্টেশনে যাচ্ছিলেন। পথে তাঁকে আটকান ধর্ষণে অভিযুক্ত ও তার বন্ধুরা। তারপর তাকে চেনে হিঁচড়ে গ্রামের বাইরে একটি মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

পুলিস জানিয়েছে, তারা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় সম্পূর্ণ দগ্ধ অবস্থায় মাঠের মধ্য থেকে ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে অপরাধীরা পালিয়ে গিয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে কাছের এক হাসপাতালে পরে লখনউ-এর এক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছডি়য়েছে উন্নাও-এর হিন্দুনগর গ্রামে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে মূল অভিযুক্ত ওই গ্রামে গ্রামপ্রধানের পুত্র। পুলিশ জানিয়েছে ইতিমধ্য়েই তিনজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও দুইজনের খোঁজ চলছে।