চলে গেলেন প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার গিরিশ করনাড। ৮১ বছর বয়সে সোমবার মৃত্যু হল তাঁর। দীর্ঘদিন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন গিরিশ করনাড।

মহারাষ্ট্রে মাথেরান অঞ্চলে ১৯৩৮ সালে গিরিশ করনাডের জন্ম। কর্ণাটক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সেরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পাড়ি দেন দর্শন নিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্যে। ১৯৬১ সালে যযাতি নাটকটি লিখে সকলের নজরে আসেন করনাড। এর পরে তাঁর লেখা নাটক 'তুঘলক' গোটা দেশে সমাদৃত হয়।  ১৯৭৮ সালে নাটকে অবদানের জন্যে পদ্মশ্রী এবং ১৯৯২ সালে সারা জীবনের কাজের জন্যে পদ্মভূষণ পান গিরিশ করনাড। 

সিনেমায় স্ক্রিনরাইটার হিসেবে তাঁর হাতেখড়ি 'সংস্কারা' ছবিতে। পট্টভিরামা রেড্ডির ছবিটি সে বছরই জাতীয় পুরস্কার পায়। ১৯৭২ সালে লেখা করনাডের লেখা নাটক হয়বদন আজও সারা দেশে মঞ্চস্থ হয়। বাঙালি সাদরে বরণ করেছে তাঁর নাটক রক্তকল্যাণ, নাগমনণ্ডল। 

রবীন্দ্রনাথের নাটকের সমলোচনা করে তীব্র বিতর্কে জড়িয়েছিলেন গিরিশ করনাড। রাজনৈতিক অবস্থান তাঁকে বারবার বিতর্কের মুখে ফেলেছে। গৌরী লঙ্কেশের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরব ছিলেন গিরিশ। এই লোকসভা ভোটের আগেও গেরুয়া বিরোধী লেখক শিল্পী সঙ্ঘের প্রধান মুখ ছিলেন তিনি।

দীর্ঘদিন শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। পরিবারে রয়েছেন দুই ছেলেমেয়ে এবং স্ত্রী। গিরিশ করনাডের মৃত্যুতে এক যুগের অবসান হল।