মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) ভারতের দৈনিক নতুন সংক্রমণের সংখ্যা নেমে গিয়েছিল ২৬,৫৬৭-তে। যা ছিল গত ৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। বুধবার অবশ্য তার থেকে ২১ শতংশ বাড়ল দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা। এদিন সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় ৩২,০৮০ জন নতুন করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে এদিন সকালে ভারতের মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭,৩৫,৮৫০।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় মৃতের কোভিড জনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ৪০২ জনের। যার ফলে ভারতে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা এখন ১,৪১,৩৬০। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যানুসারে, সারাদেশে বর্তমানে সক্রিয় মামলা অর্থাৎ চিকিৎসাধীন রোগী রয়েছেন ৩,৭৮,৯৯৯ জন। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাটা ৪ লক্ষের নিচে নেমে গিয়েছিল। আর এই পর্যন্ত করোনা মুক্ত হয়েছেন ৯২,১৫,৫৮১ জন। গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৩৬,৬৩৫ জন রোগীকে সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছে কিংবা হাসপাতাল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন - খোলা ময়দানে হবে মুখ্যমন্ত্রীর বিচার - ভারতের রাজনীতিতে 'বিপ্লব' ঘটালেন অভিমানী বিজেপি নেতা

আরও পড়ুন - 'সরকার আছে কতক্ষণ', পঞ্চায়েত ভোট থেকেই শোনা যাচ্ছে আরও এক রাজ্যে কংগ্রেসের বিদায় বাজনা

আরও পড়ুন - পুলওয়ামা-বারামুলায় জঙ্গি হানা - আহত ৪ অসামরিক নাগরিক, সেনার গুলিতে খতম ৩ সন্ত্রাসবাদী

প্রসঙ্গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ের পর থেকেই ভারতে করোনার দাপট ধীরে ধীরে কমছে। দেশে প্রতিদিনই নতুন সংক্রমণের সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে একেক দিনে গড়ে ৯০,০০০-এরও বেশি করোনা রোগী সনাক্ত হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাটা ছিল ১০ লক্ষেরও বেশি। অক্টোবর মাসের শেষেই তা নেমে এসেছিল ৭ লক্ষে। আর গত একমাসে তা আরও কমে ৪ লক্ষের নিচে নেমে গিয়েছে। সরকারিভাবে না বললেও ভারতের কোভিড মহামারি পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কর্তাব্যক্তিরা মনে করছেন, এটাই মহামারির শেষের সূচনা।

অন্যদিকে, বুধবার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ বা আইসিএমআর জানিয়েছে যে কোভিড-১৯ এর জন্য ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১৪,৯৮,৩৬,৭৬৭ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১০,২২,৭১২ টি।