Asianet News BanglaAsianet News Bangla

Kolkata Earthquake: ভোরবেলায় কলকাতায় আতঙ্ক ছড়াল ভূমিকম্প, ত্রিপুরা-অসমেও কম্পন অনুভূত

 EMSC ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতে ভূমিকম্প বেশ কিছুটা সময়ের জন্য স্থায়ী হয়। 

earthquake took place vast area from india Myanmar border bjc
Author
Kolkata, First Published Nov 26, 2021, 7:55 AM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

২৬ নভেম্বর ভোরবেলাই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাসহ (West Bengal) আসাম (Assam), ত্রিপুরা (Tripura) ও বাংলাদেশের (Bangladesh) বেশ কিছুটা অংশ। শুক্রবার ভোরে ভারত-মায়ারমান (India Myanmar Border) সীমান্ত থেকে ছড়িয়ে পড়ে কম্পন (Earthquake) । উৎস কেন্দ্রের থেকে ১৭৪ কিলোমিটার বিস্তির্ণ এলাকাতে এই কম্পন অনুভূত হয়। রীতিমত কেঁপে ওঠে ঘরবাড়ি। এদিন কম্পনের মাত্রা বেশি থাকায় অনেকেরই ঘুম ভাঙে কাক ভোরে। ভোর সাড়ে পাঁচটা, অর্থাৎ ৫.২৫ মিনিটে কেঁপে ওঠে বিস্তির্ণ এলাকা। আতঙ্ক ছড়ায় বেশ কিছু এলাকাতে। কেবল বাংলাতেই নয়, পাশাপাশি এই কম্পন বাংলাদেশেও অনুভূত হল। কলকাতাতে (Kolkata) এদিন মৃদু কম্পন অনুভূত হলেও তা বেশ দীর্ঘ মেয়াদি হয়।

এদিন রিখটার স্কেলে কম্পনের (Magnitute) মাত্রা উৎস স্থলে ধারা পড়ে ৬ শতাংশ। EMSC ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতে ভূমিকম্প বেশ কিছুটা সময়ের জন্য স্থায়ী হয়। ৩০ সেকেন্ড ধরে কলকাতা (Kolkata) ও গুয়াহাটিতে কম্পন অনুভূত হয়। এদিন কলকাতায় বেশ বোঝা যায় ভূমিকম্পের প্রভাব,মুহূর্তে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়। এক বিস্তৃণ এলাকা জুড়ে এই ভূমিকম্প দেখা দেওয়ায় বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মিলতে থাকে কম্পনের মাত্রার তিব্রতার পোস্ট। এক পোস্ট থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি বেশ দীর্ঘ ও প্রভাবশালী (Strong and Effective) ছিল, ইএমএসসি-তে (EMSC) করা এই পোস্টের এলাকা উৎস স্থল থেকে ১৮৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

এদিন ভোরে যাঁরা কম্পন অনুভব করেছেন, তাঁরা সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় তড়িঘড়ি খবর জানান, যাঁরা যাঁরা যেখান থেকে এই কম্পন (Earthquake) অনুভব করেছেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই এর শক্তি নিয়ে জানিয়েছে বেশ ভালোভাবে অনুভূত হয়েছে এই কম্পন। ভোরবেলা এই কম্পন হওয়ার ফলে অনেকেই ছিলেন ঘুমের মধ্যে তাই বুঝতে পারেননি কম্পনের মাত্রা, কিন্তু যাঁরা তা অনুভব করেছেন, তাঁরা মতে বেশ শক্তিশালী ছিল এদিনের কম্পন। পঞ্চমীর দিন কেঁপে উঠেছিল বাংলার মাটি। তারপর আবারও ২৬ নভেম্বর। এদিন সকাল থেকেই এই খবর ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। যদিও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। সেভাবে কোনও দুর্ঘটনা এদিন ঘটেনি কম্পনের ফলের। 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios