কোভিড -১৯ আক্রান্ত হলেন ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর  ফ্রান্সের প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস-এর তরফে এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে ম্যাক্রঁর নভেল করোনভাইরাসটির পরীক্ষার ফল ইতিবাচক এসেছে। আগামী সাতদিন তিনি স্ব-বিচ্ছিন্নতায় থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার ফরাসি রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েকদিন ধরে ণ্যাক্রঁর শরীরে করোনার প্রাথমিক উপসর্গুগলি দেখা যাচ্ছিল। তারপরই এদিন ফরাসি প্রেসিডেন্টের নমুনা নিয়ে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করা হয়। তাতেই ধরা পড়েছে প্রেসিডেন্ট-ও করোনার কবলে পড়েছেন। করোনা আক্রান্তদের হাসপাতালের প্রয়োজন না হলে ফ্রান্সে সাত দিনের জন্য নিজেকে আলাদা করে রাখাটাই জাতীয় বিধি। ম্যাক্রঁও তা মেনে চলবেন। তবে তার মধ্যেও তিনি তাঁর কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানানো হয়েছে সরকারি বিবৃতিতে।

 

 

অন্যান্য বেশ কয়েকটি ইউরোপিয় দেশের মতোই ফ্রান্সেও গত কয়েক সপ্তাহে আছড়ে পড়েছে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গ। গত বুধবার একদিনে সেই দেশে ১৭,৬১৫ জন নতুন কোভিড রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝির পর থেকে যা সবচেয়ে বেশি। ডিসেম্বর শুরুর দিকে লকডাউন বিধি শিথিল করা এবং তারপর লকডাউন তুলে দেওয়ার কারণেই এমনটা ঘটছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

এই অবস্থায় গোটা ফ্রান্স চাতক পখির মতো তাকিয়ে আছে করোনা ভ্যাকসিনের দিকে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এখন ফাইজার / বায়োএনটেক-এর তৈরি করোনা টিকার গবেষণা সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখছে। পরের সপ্তাহে যদি তারা এই ভ্য়াকসিনকে অনুমোদন দেয়, তাহলে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে ফ্রান্সে টিকাকরণ শুরু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ম্যাক্রঁ কোভিড ভ্যাকসিনের ২ কোটি ডোজ প্রিঅর্ডার করেছেন। ৩০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফ্রান্স ফাইজার / বায়োনেটেক ভ্যাকসিনের ১১ লক্ষ ৬০ হাজার ডোজ পেয়ে যাবে বলে আশা করছে।