জীবিত না মৃত ! সন্ধ্য়ে থেকেই উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রনায়ক কিম জং উনকে শোরগোল পড়ে যায় বিশ্বে। কিমের মৃত্যুর খবর আরও জোর পায় হংকং টিভির একটি টুইটকে ঘিরে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, উত্তর কোরিয়ার শাসকের মৃতদেহ শায়িত রয়েছে। তবে নিউ ইয়র্ক পোস্টের খবর বলছে অন্য কথা। তারা জানাচ্ছে,হৃদযন্ত্রের অস্ত্রোপচারের পর বহুদিন ধরেই অসুস্থ কিম জং উন। মৃত্যু না হলেও বর্তমানে 'ভেগেটেটিভ স্টেট'-এ রয়েছেন এই রাষ্ট্রনায়ক। যেখানে সবার কথা শুনতে পারলেও উত্তর দিতে পারছেন না কিম। এমনই খবর দিচ্ছে জাপানের সংবাদ মাধ্য়ম। যা ফলাও করে ছাপা হয়েছে 'নিউ ইয়র্ক পোস্ট'-এ।  

কিমের অসুস্থতা নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা, বন্ধুর চিকিৎসায় এবার বিশেষজ্ঞ দল পাঠালেন জিনপিং.

জাপানিজ সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন সুখান গেন্দাই-এর রিপোর্ট অনুয়ায়ী, এপ্রিলের শুরুতেই হৃদযন্ত্রে সমস্যা শুরু হয় কিমের। দেরি না করে দ্রুত তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর থেকেই কোনও খবর পাওয়া যাচ্ছিল না তাঁর। পরে ওই সাপ্তাহিক পত্রিকা দাবি করে, সম্প্রতি কিমকে সুস্থ করতে চিন থেকে এক বিশেষ চিকিৎসক দল আসে। তবে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানের শারীরিক অবস্থা দেখে অবাক হয় তাঁরা। ওই চিকিৎসক দল দাবি করে, সাধারণ চিকিৎসায় দেরি করে ফেলে রাখার জন্য়ই কিমের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। নিজেদের প্রতিবেদনে এমনই লিখেছে 'রয়টার্স'। 

সাহসিকতায় ফের নজির গড়ল নারীশক্তি, আমেরিকার মত ব্রিটেনেও প্রথম ভ্যাকসিন নিলেন এক মহিলা.

যদিও সারা বিশ্ব তোলপাড় হলেও এখনও কিম নিয়ে মুখ খোলেনি উত্তর কোরিয়ার সংবাদ মাধ্য়ম। যদিও জাপানের োই সাপ্তাহিক পত্রিকায় চিনের চিকিৎসকরা জানান, চলতি মাসের প্রথম দিকে ঘুরতে বেরিয়ে হঠাৎই বুক চেপে ধরে শুয়ে পড়েন কিম। তড়িঘড়ি তাঁকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই কোনও মতে তাঁকে 'সিপিআর' দিকে কিছু স্বাভাবিক  করা হয়।

সামনে এল করোনার নতুন উপসর্গ, ডাক্তারদের নজর এবার পায়ের দিকে.

তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই কিমের হৃদযন্ত্রে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। হৃদযন্ত্রে ঠিকমেতা রক্ত পৌঁছচ্ছে না। সেকারণে স্টেন্ট বসিয়ে তাঁর রক্ত চলাচল স্বাভাবকি  করার প্রয়োজন প়ড়ে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি অতিরিক্ত  সিগারেট  খেতেন কিম। চিকিৎসকদের অনুমান সেই থেকেই হার্টে সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।