আইপিএলের শুরুর দিকের কয়েকটি মরশুমে ট্রফি না পেলেও অন্যতম শক্তিশালী দল হিসাবে পরিচিত ছিল দিল্লি। ধারাবাহিক ভাবে ভালো খেলত দলটি। সেই সময় অবশ্য দিল্লি ক্যাপিটালস নয়, দিল্লি ডেয়ারডেভিলস নামেই পরিচিত ছিল তারা। সেই সময় দলে খেলেছিলেন বীরেন্দ্র সেওবাগ, গৌতম গম্ভীর, ডেভিড ওয়ার্নার, দীনেশ কার্তিকের মতো অভিজ্ঞ তারকারা। এরপর আস্তে আস্তে অভিজ্ঞদের ছাঁটাই করে তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গঠন করে দিল্লি। সাময়িক ভাবে ব্যার্থতা ছাড়া কিছু আসেনি। কিন্তু সম্প্রতি আইপিএলের শেষ মরশুমে তাদের সেই তরুণ ক্রিকেটারদের হাত ধরেই ভালো পারফরম্যান্স করেছে দিল্লি। সঙ্গে রিকি পন্টিং এবং সৌরভ গাঙ্গুলির মতো মেন্টরদের সান্নিধ্য পেয়েও উপকৃত হয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার, ঋষভ পন্থের মতো তরুণ তুর্কিরা। এই মরশুমে তাদের সাথে দলে যোগ দিয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে, রবিচন্দ্রন অশ্বিনের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। ফলে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশেলে দিল্লি ভালো পারফরম্যান্স করবে বলেই আশা করছেন সমর্থকরা।

এই বছর তাদের প্রথম ম্যাচ খেলতে হবে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে নিজেদের ঘরের মাঠে। তাদের সম্পুর্ন ফিক্সচারটি নিচে দেওয়া হলো

১. বনাম কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ৩০শে মার্চ (হোম)
২. বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স। ৩রা এপ্রিল (অ্যাওয়ে)
৩. বনাম রাজস্থান রয়েলস। ৫ই এপ্রিল (অ্যাওয়ে)
৪. বনাম রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ১০ই এপ্রিল (হোম)
৫. বনাম  চেন্নাই সুপার কিংস। ১৩ই এপ্রিল (হোম) 
৬. বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১৯শে এপ্রিল (হোম)
৭. বনাম রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ২২শে এপ্রিল (অ্যাওয়ে)
৮. বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ২৬শে এপ্রিল (হোম)
৯. বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ১লা মে (অ্যাওয়ে)
১০. বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৩রা মে (হোম)
১১. বনাম মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ৬ই মে (হোম)
১২. বনাম চেন্নাই সুপার কিংস। ১০ই মে (অ্যাওয়ে)
১৩. বনাম রাজস্থান রয়েলস। ১৩ই মে (হোম)  
১৪. বনাম কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ১৬ই মে (অ্যাওয়ে)