গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্য়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ল ১০। সবমিলিয়ে বঙ্গে করোনা সংক্রমিতের সংখ্য়া ১২০। ১৪ তারিখ পর্যন্ত করোনার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩,০৮১ জনের। এখনও রাজ্য়ে করোনায় মারা গিয়েছেন ৭ জন। মঙ্গলবার সন্ধেতে করোনা বুলেটিন প্রকাশ করে এই তথ্য় দিয়েছে স্বাস্থ্য় দফতর।

মহিলার দেহে 'করোনো আছে' ! আতঙ্কে বডি নিল না পরিবার.

তবে রাজ্য়ের এই পরিসংখ্য়ানের সঙ্গে মিলছে না কেন্দ্রের রিপোর্ট। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক ধাপে ২০০ ছুঁতে চলল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কেন্দ্রীয়  স্বাস্থ্য় মন্ত্রকের বুলেটিন বলছে, পশ্চিমবঙ্গে মঙ্গলবার পর্যন্ত কোভিড১৯-এ সংক্রমিতের সংখ্যা ১৯০। তবে ৩৬ জন ইতিমধ্য়েই করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরছেন তাঁরা। যদিও মৃতের সংখ্যা এখনও সাত রয়ে গিয়েছে। 

এদিনই নতুন করে লকডাউনের সময় বাড়িয়েছে মোদী সরকার।  আগামী ৩মে পর্যন্ত নতুন করে বাড়ানো হয়েছে লকডাউনের সময়সীমা। আগামী ৭ দিন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা মানতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে সঙ্গে সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে আাগামী ২০ তারিখ থেকে নিয়ম শিথিল করার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন অতীতের পুনরাবৃত্তি শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে। করোনা যুদ্ধে জয়ী হতে দেশবাসীকে রোগ প্রতিরোধক  ক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী। করোনা রুখতে লকডাউনে দেশবাসীর কাছে তুলে  দিলেন 'সপ্তপদী' বান।

মহিলার দেহে 'করোনো আছে' ! আতঙ্কে বডি নিল না পরিবার.

মোদীর দেওয়া সেই পরামর্শে সবার প্রথমে রয়েছে প্রবীণ নাগরিকদের খেয়াল রাখার বিষয়।  পাশাপাশি লকডাউনে সামাজিক দূরত্ব অবশ্য কর্তব্য় বলে মন্তব্য় করেছেন মোদী। এছাড়া ও ঘরে বানানো মাস্ক পরার সঙ্গে সঙ্গে গরম জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। করোনো নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে আরোগ্য সেতু অ্যাপ এনেছে ভারত সরকার। নিজের মোবাইলে সেই অ্যাপ সকল দেশবাসীকে ডাউনলোড করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি গরিব পরিবারগুলির খেয়াল রাখার কথা বলেছেন। এই কঠিন পরিস্থিতিতে কারও যেন চাকরি না যায় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি চেয়েছেন। এই পাশাপাশি করোনা মোকাবিলায় সামনের সারিতে থাকা কর্মীদের যথাযোগ্য সম্মান জানাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

সাধারণ জ্বর নিয়েই হাসপাতালে ভর্তি বাবা,মুখ খুললেন নুসরত.

রাজ্য় সাম্প্রতিক অতীত বলছে, দলের আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় তথ্য় পরিসংখ্য়ান দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিলেন, রাজ্য় সরকারকে পর্যাপ্ত পরিমাণ করোনার কিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অথচ ব্যবহারই করা হচ্ছে না। এবার সেই একই সুর শোনা গেল নাইসেড-এর প্রধান সান্তা দত্তের কথায়। একটি জাতীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংস্থার বিভাগীয় প্রধান বলেন, আমাদের কাছে ২৭,৫০০ করোনা পরীক্ষার সরঞ্জাম রয়েছে। কোনওদিনই এই কিটের ঘাটতি হয়নি। যেহেতু স্বাস্থ্য়ের বিষয়টা রাজ্য় সরকারের  হাতে, তাই তারাই বলতে পারবেন কেন কম পরীক্ষা করানো হচ্ছে।