দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি, কিন্তু কমিশনের কাছে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গেরুয়াশিবির। যদি সেই আর্জি খারিজ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে কি পুরনির্বাচন নিয়ে আইনি পথে হাঁটবে বিজেপি? জল্পনা উস্কে দিলেন খোদ দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর হুঁশিয়ারি, প্রস্তুতিতে কোনও খামতি নেই। কিন্তু যদি কমিশন নিয়ম না মেনে নির্বাচন করতে চায়, তাহলে কোর্ট আছে। প্রয়োজনে কোর্টে যাবেন। 

এ রাজ্য়ে পুরভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। নবান্ন সূ্ত্রে খবর, কলকাতা ও হাওড়া পুরসভায় ভোটের সম্ভাব্য দিনও চূড়ান্ত করে ফেলেছে রাজ্য সরকার। ভোট হতে পারে ১২ এপ্রিল। বাকি পুরসভাগুলিতে কবে ভোট হবে? রাজ্যের তরফে ২৬ কিংবা ২৭ এপ্রিল নির্বাচনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। এপ্রিলের মাঝামাঝি কলকাতা ও হাওড়ায় ভোট হবে ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনও। হাওড়া তো বটেই, দক্ষিণ ২৪ পরগণার জেলাশাসকদের সঙ্গে কমিশনের কর্তারা বৈঠক সেরে ফেলেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই যখন পরিস্থিতি, তখনই আবার পুরভোটে পিছোনের আর্জি নিয়ে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে যান দলের নেতা মুকুল রায়। তাঁর বক্তব্য,  এ রাজ্যে ৩০ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষা চলবে। সেক্ষেত্রে যদি এপ্রিলের মাঝমাঝি পুরভোট হয়, তাহলে প্রচারের জন্য বেশি সময় পাওয়া যাবে না। তাই পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়া হোক। 

আরও পড়ুন: ফের কলকাতায় উদ্ধার বিপুল পরিমান নিষিদ্ধ মাদক, গ্রেফতার ৩

আরও পড়ুন: শিবরাত্রির পুজো দিতে গিয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, তারকেশ্বরে মৃত্যু ৩ যুবকের

প্রতিদিনের মতোই শুক্রবার সকালেও প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সকালে অনুগামীদের নিয়ে তিনি হাজির হন সল্টেলেকে সেন্ট্রাল পার্কে। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তরে পুরভোট নিয়ে প্রয়োজনে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দিলীপ ঘোষের দাবি, ছয় মাস আগে থেকেই পুরভোটে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন তাঁরা। বুথস্তর পর্যন্ত সংগঠন তৈরিরও কাজ শেষ।  

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে রাজ্যের  ৯১ টি পুরসভার সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশিত করেছে নির্বাচন কমিশন।  কলকাতায় সংরক্ষণের কারণে এবার ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না তৃণমূল কংগ্রেসে অনেক হেভিওয়েট নেতাই। নিয়ম অনুসারে, এই খসড়া তালিকা প্রকাশের ৭০ দিন পরেই ভোট হতে পারে।