প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে বেনজির আক্রমণের শিকার বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলিপ ঘোষ। রোজকার মতোই লেক টাউন এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে 'চায়ে পে চর্চা' কর্মসূচি চালাচ্ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সেইসময় আচমকাই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে প্রায় ২৫০ তৃণমূল কর্মী তাঁকে ঘিরে ফেলে গো ব্যাক স্লোগান দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ।

বিজেপির দাবি, পুলিশের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা অল্পসংখ্যক বিজেপি কর্মীদের মধ্যে মারামারি বেধে যায়। দিলীপ ঘোষের দিকে ধেয়েও যাওয়া করা হয় বলে অভিযোগ। এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। এই ঘটনায় তাদের দুই কার্যকর্তা আহত হয়েছেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের।

আরো পড়ুন - দিলীপের বাড়িতে দেবশ্রী! যোগদান ঘিরে জল্পনা

আরো পড়ুন - 'আপনি ৩৭০-এর পক্ষে না বিপক্ষে', 'দিদিকে' প্রশ্ন দিলীপের

আরো পড়ুন - খুনের হুমকি, দিলীপের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা পুলিশের

আরো পড়ুন - দিঘার সমুদ্র সৈকতে চায়ের আড্ডা, মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা প্রচারে বিজেপি রাজ্য সভাপতি

এদিন লেকটাউনের সাত নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণদাড়ি রোড সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে আলাপচারিতা করছিলেন। সেই সময়ই হঠাত করে স্থানীয় কাউন্সিলর মায়া মাইতি-সহ পাশের দুটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা সেখানে এসে হাজির হয়। তারা 'গো ব্যাক দিলীপ ঘোষ', 'গো ব্যাক নরেন্দ্র মোদী' স্লোগান দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ।

এর ফলে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশের সামনেই বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি হয়। সেই সময়ই বিজেপির ওই দুই কার্যকর্তা জখম হন বলে অভিযোগ। তাদের স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। লেকটাউন থানা থেকে আরও পুলিশ কর্মী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

ঘটনাস্থল থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রাজ্যের দমকলমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুজিত বসুর বাড়ি। বিজেপির অভিযোগ তাঁরই অঙ্গুলিহেলনে এই হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মুখে কটাক্ষের সুরই শোনা গিয়েছে। তাঁর দাবি, তাঁর সামনেই ওই চায়ের দোকানের চেয়ার-টেবিল ভেঙে দেয় তৃণমূল। তাঁর মতে এই ঘটনা প্রমাণ করে তৃণমূল তাঁকে নিয়ে চিন্তিত। তিনি যেখানেই যান তৃণমূলই তাঁকে 'পাবলিসিটি' দেয়। আর এটা তিনি বেশ উপভোগ করেন।