কাঁটাপাহাড়ি বিস্ফোরণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজা খারিজ হয়ে গেল ছত্রধর মাহাতোর। এ দিন এই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সাজা কমল সুখশান্তি বাসকে, সাগুন মুর্মু, শম্ভু সোরেনের। প্রত্যেকেরই সাজা কমিয়ে দশ বছর করা হয়েছে। 

একই সঙ্গে এই মামলায় প্রসূন চট্টোপাধ্যায় এবং রাজা সরখেলকেও এই মামলায় বেকসুর খালাস বলে ঘোষণা করেছে কলকাতা  হাইকোর্ট। 

এই রায়ের ফলে ছত্রধর মাহাতো-সহ চারজনের মুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কারণ প্রত্যেককেই ২০০৯ সালে ২৫ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয়েছিল। যার অর্থ আগামী মাসেই তাঁদের হাজতবাসের দশ বছর পূরণ হচ্ছে। 

মানবাধিকার কর্মী রঞ্জিত শূর অবশ্য দাবি করেছেন, প্রসূন চট্টোপাধ্যায় এবং রাজা সরখেলের মতো বাকিদেরও বেকসুর খালাস করা উচিত ছিল। শুধু তাই নয়, নির্দোষ প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও যেভাবে প্রসূন চট্টোপাধ্যায় এবং রাজা সরখেলকে দীর্ঘদিন জেল খাটতে হলো, তাতে ওই দু' জনকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রঞ্জিতবাবু। 

লালগড় আন্দোলনের সময় কাঁটাপাহাড়িতে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ২০০৮ সালের শেষ দিক থেকে যা চলে ২০১০ সাল পর্যন্ত। বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় জনগণের কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতো -সহ বাকিদের। ইউএপিএ ধারায় মামলা করা হয় তাঁদের বিরুদ্ধে। ওই ধারায় এ রাজ্যে প্রথম সাজাপ্রাপ্ত হন ছত্রধর-সহ বাকি অভিযুক্তরা। সাজা ঘোষণা করেছিল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা আদালত।