Asianet News BanglaAsianet News Bangla

TET-Case: '১৫ দিনেই মিলবে অভিযোগের সুরাহা ', পর্ষদের নয়া পোর্টালের আশ্বাসে মামলার নিষ্পত্তি

 '১৫ দিনেই মিলবে অভিযোগের সুরাহা ', পর্ষদের আশ্বাসে টেটের প্রশ্নপত্রের ত্রুটির ইস্যুতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি।  

Case has been settled after getting assurance to solve the problem in New portal of primary education board on Tet  in HC RTB
Author
Kolkata, First Published Dec 23, 2021, 2:05 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

পর্ষদের (Primary education board) আশ্বাসে টেটের প্রশ্নপত্রের ত্রুটির ইস্যুতে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি।উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল, সেখানে ৬ টি প্রশ্নপত্র ভূল ছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। যারা ওই প্রশ্নগুলির উত্তর লিখেছিল, তাঁদের প্রত্য়েককে নম্বর দেওয়ার কথা কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)  নির্দেশ দেয়। কিন্তু মামলার পরেও দেখা গিয়েছে, বহু পরীক্ষার্থী  নম্বর পাননি। আর এবার সেই জটিলতা কাটাতেই নতুন পোর্টাল (New portal of primary education board) খুলল প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদ।

প্রসঙ্গত,  ২০১৪ সালে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল সেই প্রশ্নপত্রে ভূল ছিল বলে বিতর্ক তৈরি হয়। অনেকেই তাতে পাশ করতে পারেননি। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিলেন একাধিক টেট পরীক্ষার্থী। হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। এরপর প্রশ্নগুলি ভুল ছিল কিনা তা জানতে বিশ্বভারতীর  উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি কমিটি গড়ে দিয়েছিলেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। এবং সেই কমিটির অধ্যাপকরা ৬টি প্রশ্নকেই ত্রুটিপূর্ণ বলে মত দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রে ভূল থাকায় ২০১৮ সালে বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় ফের নির্দেশ দেন,ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর যারা দিয়েছেন তাদের পূর্ণাঙ্গ নম্বর দিতে হবে। যদিও চাকরিপ্রার্থীদের দাবি, সেই নিয়ম মানেনি পর্ষদ। তারপরেই মোড় ঘোরে। ফলে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে শিক্ষক পর্ষদ বলেছিল, তাঁরা ১৬ হাজার ৫০০ জন শিক্ষক নিয়োগ করবেন। এরপরে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন কয়েকজন পরীক্ষার্থী। তার বলেন যে, তাঁরা এখনও ওই ৬ নম্বর পাননি। ফলত তাঁরা পরীক্ষায় বসতে পারছেন না। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁরা ফর্ম ফিলাপ করার সুযোগ পান। প্রায় ২৬ হাজার পরীক্ষার্থী সেই সময় ফর্ম ফিলাপ করেন।

এদিকে চলতি মাসের ২০ তারিখ শিক্ষক পর্ষদের তরফ থেকে ৭৩৮ টি শূন্যপদে জন্য ফের ,কলকাতা হাইকোর্টে হয়েছে। বলা হয়, অনেকেই যারা হাইকোর্টের নির্দেশে ফর্ম ফিলাপ করেছিলেন তাঁদের নাম এই তালিকায় নেই। ফলত সেখান থেকেই এই গোটা মামলার সূত্রপাত। সেই মামলার প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে, নতুন একটি পোর্টাল , প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদ খুলবে। যারা এই ৬ নম্বর প্রশ্ন ঘিরে কোনও রকম অভিযোগ রয়েছে এবং অভিযোগ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে সকল অভিযোগের নিষ্পত্তি করবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের এই আশ্বাসের ফলেই মামলার নিষ্পত্তি হল। এবং  ৭৮০ টি শূন্যপদ ঘিরে যে জটিলতা দেখা গিয়েছিল, সেটা অনেকাংশেই কাটানো সম্ভব হবে।

 

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios