সকাল থেকেই জল্পনা ছিল। মঙ্গলবার বেলা ১১টা বেজে ৩৫ মিনিটে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এল সিবিআই ৯ সদস্যের একটি দল। কিন্তু তার আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অল্প কিছুক্ষণই থাকেন তাঁর বাড়িতে। তিনি বেরিয়ে যাওয়ার মাত্র  তিন মিনিটের মাথায় অভিষেকের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআইএর দল। কয়লাকাণ্ডে জেরা করার জন্য আগে থেকেই নোটিশ পাঠান হয়েছিল রুজেরাকে। সেই মত এদিন সিবিআইএর আধিকারিকরা হরিশচন্দ্র স্ট্রিটের শান্তিনিকেতনে আসেন। 


এদিন সকাল থেকে অভিষেকের বাড়ির সামনে ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। অন্যান্য দিনের তুলনায় পুলিশের সংখ্যাও ছিল বেশি। কয়কাকাণ্ডে বনাম জড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। বিদেশে তাঁর বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্টের সন্ধানও পাওয়া গেছে। আর সেইগুলিতে জমা হওয়ার টাকার উৎস সন্ধান করতেই এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজেরাকে জেরা করতে চেয়ে নোটিশ পাঠিয়ে ছিল সিবিআই। রুজেরা মঙ্গলবার সময় দেওয়া সিবিআই-এর ৯ সদস্যদের একটি দল এদিন তাঁর বাড়িতে যায়। অ্যাডিশনাল ইন্সপেক্টর উমেশ কুমারের নেতৃত্ব ৬ সিবিআই আধিকারিক রয়েছেন দল। যার মধ্যে দুজন মহিলা আধিকারিক। দিল্লির থেকে লিগ্যাল সেলের দুই আইনজীবীর সঙ্গে রয়েছেন কলকাতার এক আইনজীবী। গতকালই রুজেরাকে জেরা নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক হয় নিজাম প্যালেসে। সূত্রের খবর একটি প্রশ্নপত্রের খসড়াও তৈরি করা হয়েছে। 

অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো হন। ঘনিষ্ট মহলের খবর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুবই স্নেহ করেন অভিষেককে। আর সেই কারণে তাঁর স্ত্রী সিবিআই-এর জেরার মুখোমুখি হওয়ার আগে অভিষেকের পাশে থাকার বার্তা দিতে তিনি এসেছিলেন বলে ঘনিষ্ঠ মহলের ধারনা। সূত্রের খবর অভিষেক ও রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট্ট মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে গেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।