তিনে থমকে রইল না মৃতের সংখ্যা। নবান্নে সাংবাদিক  বৈঠকে মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, রাজ্য়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে পাঁচ। মঙ্গলবার পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯। যার মধ্য়ে রয়েছে ৯টি পরিবার। নতুন করে যে আটজনের করোনা ধরা পড়েছে, তাদের মধ্য়ে একটি পরিবারেরই চার জনের  শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে।

কেন্দ্রের ধাঁচে বেতন কমানো হোক রাজ্য়ের বিধায়কদের,মমতাকে আর্জি রাজ্য়পালের..

এদিন করোনা নিয়ে ব্রিফিং শুরু হতেই মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, অনেকেই রাজ্য় সরকারের এই সংখ্যা শুনে ভুল ভাবছিল। কিন্তু এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মতো অনেকেই বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ে করোনা সংক্রমণের সংখ্য়া নির্ধারণের কথা ভাবছেন। বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সংখ্য়াটা জানতে পেরেছে সরকার।

ওষুধের জন্য় বন্ধু মোদীও শত্র্ু ট্রাম্পের, কেন করোনায় মহৌষধি হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন.

রাজ্য়ের সাম্প্রতিক চিত্র বলছে, করোনার আপডেট দিতে রোজ বিকেলে মেডিক্যাল বুলেটিনের ব্যবস্থা করেছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী। কিন্তু বিগত দিনে নবান্নের সঙ্গে করোনায় মৃতের সংখ্যা নিয়ে দ্বন্দ্ব বাধে। রাজ্য়ে করোনায়  কতজন মারা যাচ্ছেন তা জানতে সরকারি নথিতেই ভরসা রাখতে বলেন মুখ্য়মন্ত্রী। যা নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষের শিকার হন  মুখ্য়মন্ত্রী। এ নিয়ে সিপিএমের রাজ্য় সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, রোগ লুকিয়ে রাখলে বিপদ বাড়ে। মমতাকে এ বিষয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সরাসরি মুখ্য়মন্ত্রী মৃতের সংখ্য়া নিয়ে রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। 

রবিবার নবান্নে মেডিক্যাল বুলেটিন বন্ধ থাকলে জোর পায়  বিরোধীদের দাবি। অনেকেই বলতে শুরু করেন, মৃতের সংখ্য়া লুকোতেই রবিবার নবান্নে বুলেটিন বন্ধ করা হয়েছে। যদিও এদিন মুখ্য়মন্ত্রী জানিয়ে দেন,রাজ্য়ে করোনা মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপড়তায় কাজ হচ্ছে। রবিবার ছুটির দিন বলে নবান্নে ব্রিফিং বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু তা নিয়ে অনেক দলের আইটি সেল রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।  নাম না করে রাজনৈতিক দলগুলিকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজনীতি করার সময় এটা নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আইটি সেল ফেক নিউজ ছড়াচ্ছে।

কেন্দ্রের পাঠানো পিপিই-র রং হলুদ কেন, করোনাতেও 'গেরুয়াকরণ' দেখছেন মুখ্য়মন্ত্রী

সোমবার নবান্নে সাংবদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এদিন বেলা ১২টা পর্যন্ত রাজ্যে ৬১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫৫টি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা শুধু সাতটি পরিবারের মধ্যেই। ৯৯শতাংশ আক্রান্তের সঙ্গেই বিদেশ যোগ ছিল। এছাড়াও কালিম্পঙে একটি পরিবারের ১১ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তার মধ্যে ১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এরা সবাই চেন্নাই থেকে এসেছিলেন। এমনকী রাজ্য়ে কমান্ড হাসপাতালের যে চিকিৎসক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন,তাঁর পরিবারেরও ৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।