'চিরনূতনেরে দিল ডাক, পঁচিশে বৈশাখ', কবিগুরুর জন্মদিনে টুইট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপালের। কোভিড পরিস্থিতিতে অনাড়ম্বর ভাবে কবিগুরু জন্মজয়ন্তী বর্ষ উদযাপন পালন হচ্ছে বাংলা জুড়ে। প্রায় সর্বোত্রই করোনা বিধি মেনে জমায়েত না করে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। 

আরও পড়ুন, কোভিডে বড় পদক্ষেপ বেলুড়ের, বিনামূল্যের করোনা পরীক্ষা করতে ফোন করুন পুরসভার এই নম্বরে  

 

রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় জানিয়েছেন, চিরনূতনেরে দিল ডাক, পঁচিশে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিবসে শ্রদ্ধা ও প্রণাম। ওনার আদর্শই আমাদের পাথেয় হয়ে উঠুক, এই কামনা করি ।'অপরদিকে রাজ্যপাল জগদ্বীপ ধনখড় টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, 'জাতীয় সঙ্গীতের সুরকার, মহান দার্শনিক ও লেখক, নোবেলজয়ী, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।'তবে এখানেই থেমে থাকেননি রাজ্যপাল। রাজ্যে  ভোটপরবর্তী হিংসা ইস্যু তুলে মমতার অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টে ট্য়াগ করে জানিয়েছেন, ভোটদানের অধিকার সকলেরই রয়েছে। সেখানে কখনোই হিংসার শিকার হওয়া কাম্য নয়। 'চিত্ত যেথা ভয় শূন্য-উচ্চ যেথা শির' কবিগুরুর কবিতার লাইন উল্লেখ করে বলেছেন, এই হিংসা কখনই কাম্য নয়, কখনই স্বপ্নেও ভাবেননি তিনি এটা। তাই কবিগুরুর স্বপ্নকে এবার উপলব্ধি করা হোক বলে বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল।

 

 

 

 

প্রসঙ্গত, প্রসঙ্গত, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকে রক্ত ঝরছে বিজেপির কর্মীর। বিজেপির কার্যকর্তা বেলেঘাটার বাসিন্দা অভিজিৎ সরকার খুনের পাশাপাশি বারুইপুর সহ একাধিক জায়গায় খুন হয়েছেন বিজেপি কর্মীরা। এবং প্রতিবারই কাঠগড়ায় তৃণমূল।  রিপোর্ট তলব করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং এই বিষয়ে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছিল বিরোধীরা। এরপরেই টুইটে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। টুইটে রাজ্যপাল লিখেছিলেন, ' গণতন্ত্রের পক্ষে লজ্জাজনক এমন অনর্থক হিংসা, খুন, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ বন্ধ হওয়া উচিত।' যদিও তারপরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। এবার কবিগুরুর জন্মদিনে সেই কথাই মনে করালেন আবারও রাজ্যপাল।