সমাবর্তনে এসে আটক রাজ্যপাল। যাদবপুরে উঠল গো ব্যাক স্লোগান, কালো পতাকা ধনখড়ের উদ্দেশে। পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে ওঠার ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে এই পরিস্থিতির জন্য তিনি দায়ী করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে। অন্যদিকে উপাচার্য বোর্ড মিটিং করেন, এবং কয়েকজন সদস্যদের পাঠান রাজ্যপালকে কোনওভাবে ঢোকানো যায় কি না দেখতে, অনুরোধ করেছিলেন কতৃপক্ষ। কিন্তু তাতে কোনও লাভই হয়নি। ফলে এখন সমাবর্তন নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। সূত্রের খবর, রাজ্যপালকে ছাড়াই হতে পারে বার্ষিক সমাবর্তন। 

অন্যদিকে বেশকিছু ছাত্র-ছাত্রী বয়কট রাজ্যপাল-এর ডাক দেয়। তাঁদের মতে, তাঁরা রাজ্যপালের হাত থেকে নেবেন না পদক। ফলে সব দিক থেকেই বর্তমানে উত্তাল যাদবপুর। বিধি মেনেই সাধারন সমাবর্তন হওয়ার পথে। 

মঙ্গলবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে এসে আবারও ঘেরাও রাজ্যপাল। এদিন সকাল ১০.৪৫ মিনিটে সমাবর্তন শুরু হওয়ার কথা। সময় মতই যাদবপুরে পা রাখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। পাঁচ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই বাড়ি থামল রাজ্যপালের। সেখানেই আবারও ঘেরাও হলেন তিনি। 

পরিস্থিতি যে এমন হতে পারে তার আঁচ তিনি আগে থেকেই পেয়েছিলেন। সমাবর্তনের আগের দিন সোমবার দুপুরেও বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। প্রায় ৫০ মিনিট ধরে আটকে থাকার পর অবশেষে তিনি সকলের উদ্দেশে জানান, মঙ্গলবার সমাবর্তনে উপস্থিত থাকবেন তিনি, এই বলেই যাদবপুর ছেড়েছিলেন রাজ্যপাল।

 

 

কথা মতই মঙ্গলবার সকালে সমাবর্তনে হাজির হন রাজ্যপাল। কিন্তু তাঁর গাড়ি ঘেরা করে আবারও বিক্ষোভ দেখানো হয়। এই পরিস্থিতিতেই গাড়িতে বসেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দেন জগদীপ ধনখড়। তিনি লেখেন- তিনি যাদবপুরে এসেছিলেন ছাত্রছাত্রীরা যাতে তাঁদের পরিশ্রমের সন্মান পায়, এবং তাঁদের কষ্টের ফল হাতে পেয়ে আনন্দিত হয়। দুর্ভাগ্যজনক বিষয় গাড়ি ঢোকার মুখেই আটকে দেওয়া হয়।