মঙ্গলবার সমাবর্তনের জন্য নির্দিষ্ট সময় ধার্য করা হয় বেলা ১০টা ৪৫ মিনিট। তার ঠিক কয়েকমুহুর্তের আগেই ক্যাম্পাসে হাজির হন রাজ্যপাল। তাঁকে পাঁচ নম্বর গেটেই আটকে থাকতে হয় বিক্ষোভের জেরে। ছাত্রদের গো ব্যাক স্লোগান থেকে শুরু কালো পতাকা, ক্ষোভে ভেঙে পড়েন রাজ্যপাল। অন্যদিকে সমাবর্তনের প্রস্তুতি চলছিল আগে থেকেই। কিন্তু কীভাবে সম্ভব রাজ্যপালকে ছাড়া এই অনুষ্ঠান তা নিয়ে একাধিক বৈঠকে বসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস।

মিটিং শেষে কয়েকজন সদস্যকে তিনি পাঠান রাজ্যপালকে ভেতরে ঢোকানোর জন্য কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। অবশেষে ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হলেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে উপাচার্যই শুরু করেন সমাবর্তন অনুষ্ঠান। নির্দিষ্ট সময়ের দেড় ঘন্টা পরই শুরু হল অনুষ্ঠান। 

আরও পড়ুনঃ বড়দিনের কড়া নিরাপত্তা, শহর জুড়ে ৫০০০ পুলিশের টহল

মঙ্গলবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে এসে আবারও ঘেরাও রাজ্যপাল। এদিন সকাল ১০.৪৫ মিনিটে সমাবর্তন শুরু হওয়ার কথা। সময় মতই যাদবপুরে পা রাখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। পাঁচ নম্বর গেট দিয়ে ঢুকতেই বাড়ি থামল রাজ্যপালের। সেখানেই আবারও ঘেরাও হলেন তিনি। 

আরও পড়ুনঃ যাদবপুরে গো ব্যাক স্লোগান, রাজ্যপালকে ছাড়াই বার্ষিক সমাবর্তনের সম্ভাবনা

পরিস্থিতি যে এমন হতে পারে তার আঁচ তিনি আগে থেকেই পেয়েছিলেন। সমাবর্তনের আগের দিন সোমবার দুপুরেও বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। সেখানেই তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। প্রায় ৫০ মিনিট ধরে আটকে থাকার পর অবশেষে তিনি সকলের উদ্দেশে জানান, মঙ্গলবার সমাবর্তনে উপস্থিত থাকবেন তিনি, এই বলেই যাদবপুর ছেড়েছিলেন রাজ্যপাল।